islamic books

ইসলামে নারীরা কি বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারে? । হাদিসের আলোকে

আমাদের দেশের মুসলিম সমাজে অনেকে ধারনা করেন যে নারীদের যেচে গিয়ে কোন পুরুষকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়াটা শোভা পায় না বরং তা ওই নারীর/মহিলার/মেয়ের নির্লজ্জতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু সত্যি কথা হল যে ইসলামিক শরিয়াহ অনুসারে নারীরা তার পছন্দের পুরুষকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার অধিকার তো রাখেনই, এবং তা কোনক্রমেই লজ্জাজনক হিসেবে পরিগণিত হবে না।

স্বয়ং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মাদকেই (স) সকলের সামনে এক নারী বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

এ সম্পর্কিত একটি বিশেষ হাদিসটি বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে বিভিন্ন সুত্রে সামান্য কিছু ভিন্ন বর্ণনার সাথে এবং প্রায় সকল বর্ণনাই সহীহ হাদিসের অন্তর্ভুক্ত।

সহীহ বুখারী ৫০৮৭

 عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُوْلَ اللهِ جِئْتُ أَهَبُ لَكَ نَفْسِي قَالَ فَنَظَرَ إِلَيْهَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلمفَصَعَّدَ النَّظَرَ فِيهَا وَصَوَّبَه“ ثُمَّ طَأْطَأَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم رَأْسَه“ فَلَمَّا رَأَتَ الْمَرْأَةُ أَنَّه“ لَمْ يَقْضِ فِيهَا شَيْئًا جَلَسَتْ فَقَامَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِه„ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكَ بِهَا حَاجَةٌ فَزَوِّجْنِيهَا فَقَالَ وَهَلْ عِنْدَكَ مِنْ شَيْءٍ قَالَ لاَ وَاللهِ يَا رَسُوْلَ اللهِ فَقَالَ اذْهَبْ إِلٰى أَهْلِكَ فَانْظُرْ هَلْ تَجِدُ شَيْئًا فَذَهَبَ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ لاَ وَاللهِ مَا وَجَدْتُ شَيْئًا فَقَالَ رَسُوْلُ الله صلى الله عليه وسلم انْظُرْ وَلَوْ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ فَذَهَبَ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ لاَ وَاللهِ يَا رَسُوْلَ اللهِ وَلاَ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ وَلٰكِنْ هٰذَا إِزَارِي قَالَ سَهْلٌ مَا لَه“ رِدَاءٌ فَلَهَا نِصْفُه“ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا تَصْنَعُ بِإِزَارِكَ إِنْ لَبِسْتَه“ لَمْ يَكُنْ عَلَيْهَا مِنْه“ شَيْءٌ وَإِنْ لَبِسَتْه“ لَمْ يَكُنْ عَلَيْكَ مِنْه“ شَيْءٌ فَجَلَسَ الرَّجُلُ حَتّٰى إِذَا طَالَ مَجْلِسُه“ قَامَ فَرَآه“ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مُوْلِّيًا فَأَمَرَ بِه„ فَدُعِيَ فَلَمَّا جَاءَ قَالَ مَاذَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ قَالَ مَعِي سُوْرَةُ كَذَا وَسُوْرَةُ كَذَا عَدَّدَهَا فَقَالَ تَقْرَؤُهُنَّ عَنْ ظَهْرِ قَلْبِكَ قَالَ نَعَمْ قَالَ اذْهَبْ فَقَدْ مَلَّكْتُكَهَا بِمَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ.

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আমার জীবনকে আপনার হাতে সমর্পণ করতে এসেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকালেন এবং সতর্ক দৃষ্টিতে তার আপাদমস্তক লক্ষ্য করলেন। তারপর তিনি মাথা নিচু করলেন।

যখন মহিলাটি দেখল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সম্পর্কে কোন ফয়সালা দিচ্ছেন না, তখন সে বসে পড়ল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সহাবীদের মধ্যে একজন দাঁড়ালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! যদি আপনার বিয়ের প্রয়োজন না থাকে, তবে আমার সঙ্গে এর বিয়ে দিন।

রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কাছে কিছু আছে কি? সে উত্তর করলো- না, আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কাছে কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে গিয়ে দেখ, কিছু পাও কিনা।

এরপর লোকটি চলে গেল। ফিরে এসে বলল, আল্লাহ্‌র কসম! আমি কিছুই পাইনি। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবার দেখ, লোহার একটি আংটিও যদি পাও। তারপর লোকটি আবার ফিরে গেল। এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! তাও পেলাম না, কিন্তু এই আমার লুঙ্গি (শুধু এটাই আছে)।

(রাবী) সাহ্‌ল (রাঃ) বলেন, তার কাছে কোন চাদর ছিল না।

লোকটি এর অর্ধেক তাকে দিতে চাইল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তোমার লুঙ্গি দিয়ে কী করবে? তুমি যদি পরিধান কর, তাহলে তার কোন কাজে আসবে না, আর সে যদি পরিধান করে, তবে তোমার কোন কাজে আসবে না। তারপর বেশ কিছুক্ষণ লোকটি নীরবে বসে থাকল। তারপর উঠে দাঁড়াল।

সে যেতে উদ্যত হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে আনলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কী পরিমাণ কুরআন মাজীদ মুখস্থ আছে? সে বলল, আমার অমুক অমুক সূরা মুখস্থ আছে এবং সে গণনা করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, এগুলো কি তোমার মুখস্থ আছে।

সে বলল, হাঁ।

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে পরিমাণ কুরআন তোমার মুখস্থ আছে তার বিনিময়ে তোমার কাছে এ মহিলাটিকে তোমার অধীনস্থ করে (বিয়ে) দিলাম।

(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১৬)

এখানে ভিন্ন ভিন্ন অনুবাদের মধ্যে কিছু তারতম্য পাওয়া যাবে তবে মূল সারমর্ম সকল অনুবাদে একই রকমের।

কোন এক মহিলা নিজে থেকে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া যে লজ্জার কোন বিষয় নয় সে সম্পর্কে আমরা আরও বুঝতে পারি নিচের দুটি হাদিস থেকেঃ

সহীহ বুখারি ৫১২০

عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا مَرْحُومُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مِهْرَانَ قَالَ سَمِعْتُ ثَابِتًا الْبُنَانِيَّ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَنَسٍ وَعِنْدَه“ ابْنَةٌ لَه“ قَالَ أَنَسٌ جَاءَتْ امْرَأَةٌ إِلٰى رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَعْرِضُ عَلَيْهِ نَفْسَهَا قَالَتْ يَا رَسُوْلَ اللهِ أَلَكَ بِي حَاجَةٌ فَقَالَتْ بِنْتُ أَنَسٍ مَا أَقَلَّ حَيَاءَهَا وَا سَوْأَتَاهْ وَا سَوْأَتَاهْ قَالَ هِيَ خَيْرٌ مِنْكِ رَغِبَتْ فِي النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَعَرَضَتْ عَلَيْهِ نَفْسَهَا.

সাবিত আল বুনানী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) – এর কাছে ছিলাম। তখন তাঁর কাছে তাঁর কন্যাও ছিলেন। আনাস (রাঃ) বললেন, একজন মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে?

এ কথা শুনে আনাস (রাঃ) – এর কন্যা বললেন, সেই মহিলা কতই না নির্লজ্জ, ছি: লজ্জার কথা।

আনাস (রাঃ) বললেন, সে মহিলা তোমার চেয়ে উত্তম, সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সাহচর্য পেতে অনুরাগী হয়েছিল। এ কারনেই সে নিজেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর কাছে পেশ করেছে।

(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৫)

এছাড়াও,

সহীহ বুখারি ৫১১৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَتْ خَوْلَةُ بِنْتُ حَكِيمٍ مِنَ اللاَّئِي وَهَبْنَ أَنْفُسَهُنَّ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ عَائِشَةُ أَمَا تَسْتَحِي الْمَرْأَةُ أَنْ تَهَبَ نَفْسَهَا لِلرَّجُلِ فَلَمَّا نَزَلَتْ ‏{‏تُرْجِئُ مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ‏}‏ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أَرَى رَبَّكَ إِلاَّ يُسَارِعُ فِي هَوَاكَ‏.‏ رَوَاهُ أَبُو سَعِيدٍ الْمُؤَدِّبُ وَمُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ وَعَبْدَةُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ يَزِيدُ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ‏.‏

হিশামের পিতা ‘উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, যে সব মহিলা নিজেদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর নিকট সমর্পণ করেছিলেন, খাওলা বিনতে হাকীম তাদেরই একজন ছিলেন।

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মহিলাদের কি লজ্জা হয় না যে, নিজেদেরকে পুরুষের কাছে সমর্পণ করছে?

কিন্তু যখন কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হল- “হে মুহাম্মাদ! তোমাকে অধিকার দেয়া হল যে, নিজ স্ত্রীগণের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা আলাদা রাখতে পার…।” (আল-আহযাব: ৫১) ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার মনে হয়, আপনার রব আপনার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার ত্বরিৎ ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

এই হাদীসটি আবূ সা’ঈদ মুয়াদ্দিব, মুহাম্মাদ ইব্‌নু বিশ্‌র এবং ‘আবদাহ্‌ হিশাম থেকে আর হিশাম তার পিতা হতে একে অপরের চেয়ে কিছু বর্ধিতভাবে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪০)

আমরা তাহলে আবার আমাদের প্রশ্নে ফেরত চলে যাই।

ইসলামে নারীরা কি বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারে?

সহীহ বুখারী ৫০৮৭, সহীহ বুখারি ৫১১৩ ও সহীহ বুখারি ৫১২০ এই হাদিস তিনটি থেকে বোঝা যায় যে কোন নারীর পক্ষে পুরুষকে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া জায়েজ এবং এর মধ্যে লজ্জাজনক কিছুই নেই। যদি লজ্জার কিছু থাকতো তাহলে নবী করীম (সঃ) অবশ্যই এধরনের আচরন এর ব্যাপারে কিছু না কিছু একটা মন্তব্য করতেন। বরং মুসলিম নারীদের বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারার ক্ষমতা হল ইসলামে নারীর অধিকারের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

নারীরা কি বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারবে কিনা এসম্পর্কিত হাদিসের রেফারেন্স সমুহু

ক্রমিকহাদিসের রেফারেন্সমন্তব্য
 ১সহীহ বুখারী ৫০৮৭সাহ্‌ল ইব্‌নু সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২সহীহ বুখারি ৫১১৩হিশামের পিতা ‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত  সহীহ হাদিস
 ৩সহীহ বুখারি ৫১২০সাবিত আল বুনানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত  সহীহ হাদিস
 ৪সহীহ বুখারি ৫১২১সাহ্‌ল (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ৫সহীহ বুখারী ৫১২৬সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ৬সহীহ বুখারী ৫১৩২সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ৭সহীহ বুখারী ৫১৩৫সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ৮সহীহ বুখারী ৫১৪১সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ৯সহীহ বুখারী ৫১৪৯সাহ্‌ল ইব্‌নু সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১০সহীহ মুসলিম ৩৩৭৮সাহ্‌ল ইবনু সাদ আস্‌ সাইদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১১সহীহ মুসলিম ৩৩৭৯আবূ হাযিম (রহঃ)-এর সূত্রে সাহল ইবনু সাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১২সুনানে আন-নাসায়ী ৩১৯৯আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৩সুনানে আন-নাসায়ী ৩২০০সাহ্‌ল ইব্‌ন সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৪সুনানে আন-নাসায়ী ৩২৪৯আবূ আব্দুস সামাদ মারহুম ইব্‌ন আব্দুল আযীয আত্তার থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৫সুনানে আন-নাসায়ী ৩২৫০মুহাম্মাদ ইব্‌ন বাশশার (রহঃ)—আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৬সুনানে আন-নাসায়ী ৩২৮০সুফিয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৭সুনানে আন-নাসায়ী ৩৩৩৯সাহল ইব্‌ন সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৮সুনানে আন-নাসায়ী ৩৩৫৯সাহল ইবন সা’দ (রা:) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ১৯সুনানে আবু দাউদ ২১১১সাহল ইবনু সা’দ আস সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২০সুনানে আবু দাউদ ২১১২আবু হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্ণিত দুর্বল হাদিস
(নাসায়ী সানাদের ইস্ল হলো আবূ কুররা আত তামীমী। তার সম্পর্কে হাফিয আত-তাক্বরীব গ্রন্থে বলেনঃ যইফ। আল্লামা মুনযিরীও তাকে যঈফ বলেছেন।)
 ২১সুনানে আবু দাউদ ২১১৩মাকহুল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্ণিত দুর্বল হাদিস
এই সানাদটি মাকহুলের মাক্বতূ ‘মাওকুফ’। আর মাকহুল থেকে বর্ণণাকারীর মাঝে দুর্বলতা আছে।
 ২২জামে’ আত-তিরমিজি ১১১৪সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২৩সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৮৯সাহল বিন সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২৪সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০০আ’য়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২৫সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০১আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসের মানঃ নির্ণীত নয়
 ২৬মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯০সাহ্ল ইবনু সা’দ সায়িদী (রা) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২৭বুলুগুল মারাম ৯৭৯সাহ্‌ল ইবনু সা’দ থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
 ২৮বুলুগুল মারাম ৯৮০ অতিরিক্তঃ
নবী (সঃ) লোকটিকে বললেন, তোমার কি (কুরআনের কিছু) মুখস্থ আছে? সে বললো, সূরা বাকারাহ ও তার পরের সূরা (আল ইমরান)। তিনি বললেন, ওঠ! তাকে বিশটি আয়াত (মোহরানার বিনিময়ে) শিখিয়ে দাও।
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত
ইবনু উসাইমীন তাঁর শরূহে বুলুগুল মারাম ৪/৪৬৮ গ্রন্থে বলেন, (আরবী) বাক্যটি মাহফুয নয়। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ৬/৩৪৬ গ্রন্থে বলেন, এই অতিরিক্তটুকু মুনকার।
 ২৯আল লু’লু ওয়াল মারজান ৮৯৮সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিস
Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...