bangla pdf booksBest pdf books

দ্য থিওরি অব এভরিথিং pdf download by স্টিফেন হকিং

নাম:- দ্য থিওরি অব এভরিথিং pdf download  / the theory of everything bangla pdf download

লেখক:- স্টিফেন হকিং। 

the theory of everything bangla pdf download / দ্য থিওরি অব এভরিথিং pdf সাইজ:-  25MB

বইয়ের প্রথম কিছু অংশ :-     

মানবজাতির বুদ্ধিবৃত্তিক দুটি মহান আবিষ্কারআপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স। প্রথমটির কাজ মহাকর্ষ, স্থানকাল তথা মহাবিশ্বের বৃহৎ পরিসর নিয়ে। দ্বিতীয়টি কাজ করে অতিক্ষুদ্র পরমাণুর গহন রাজ্যে। 

নিজ নিজ ক্ষেত্রে পরীক্ষা থেকে শুরু করে ব্যবহারিক দিকে দুটি তত্ত্বই সফল। তবে দুটি তত্ত্ব একইসঙ্গে সঠিক হতে পারে না, অন্তত তাদের বর্তমান রূপে। কিন্তু এ দুটিকে একত্রিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তত্ত্ব পেতে পদার্থবিদদের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। স্ট্রং থিওরিকে একসময় এমনই এক পূর্ণাঙ্গ তত্ত্ব বলে ভাবা হয়েছিল।

কিন্তু এ তত্ত্ব থেকে পাওয়া কোনাে ভবিষ্যদ্বাণী এখনাে বাস্তব পরীক্ষায় প্রমাণ করা যায়নি। ভবিষ্যতেও সে সম্ভাবণা ক্ষীণ বলেই বিজ্ঞানীদের আশদ্কা। 

তাই এখন নতুন এক ত্ত্বের খাের্জে মাঠে নেমেছেন তাঁরা, যা দিয়ে বিপুল পরিসরের মহাবিশ্ব ও ক্ষুদ্র পরিসরের পরমাণুর রাজ্যকে একসুতােয় গাথা যাবে। এ তত্ত্বেরই পােশাকি নাম দ্য থিওরি অব এভরিথিং। কিন্তু কেমন হবে বহু প্রত্যাশিত সেই তত্ত্ব? 

কী করা যাবে সে তত্ত্ব দিয়ে? তাতে কী এই মহাবিশ্বের সব রহস্যের জবাব পাওয়া যাবে? এ বইতে এসব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজেছেন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং।

আকারে ক্ষীণ, বক্তব্যে সংক্ষিপ্ত হলেও যা গুরুত্ব ও তাৎপর্যে বিপুল।

দ্য থিওরি অব এভরিথিং বই লেখকের ভূমিকা

এই ধারাবাহিক বক্তৃতাগুলােতে আমি মহাবিস্ফোরণ থেকে কৃষ্ণগহ্বর পর্যন্ত মহাবিশ্বের ইতিহাস নিয়ে আমাদের ভাবনার একটা রূপরেখা দেওয়ার চেষ্টা করব। 

প্রথম বক্তৃতায় মহাবিশ্ব সম্পর্কেক অতীতের ধারণাগুলাে সংক্ষেপে বলব।একই সঙ্গে মহাবিশ্বের বর্তমান চেহারা কীভাবে পেলাম, সেটিও থাকবে এখানে।

দ্বিতীয় বক্তৃতায় মহাকর্ষ সম্পর্কে নিউটন আর আইনস্টাইনের তত্ত্ব নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে। মহাবিশ্ব স্থির হতে পারে না, মহাবিশ্বকে হয় প্রসারণশীল, নয়তাে সংকোচনশীল হতে হবে-তাঁদের তত্ত্বগুলাে কীভাবে এই সিদ্ধান্তের দিকেই ইঙ্গিত করে, এখানে সেটিই দেখাব। 

এতে দেখা যায়, থেকে ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন বছর আগের মধ্যবর্তী কোনাে একটি সময়ে এই মহাবিশ্বের ঘনত্ব অবশ্যই অসীম ছিল। একেই বলা হয় মহাবিস্ফোরণ। 

সম্ভবত মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছিল এখান থেকেই তৃতীয় বক্তৃতায় আমি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে আলােচনা করব। বিপুল আয়তনের নক্ষত্র কিংবা বিশাল কোনাে বস্তু তার নিজের মহাকর্ষীয় আকর্ষণে সংকুচিত হতে থাকলে একসময় তা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়।

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব অনুযায়ী, কেউ যদি কোনাে কৃষ্ণগহ্ররে ঝাঁপ দেওয়ার মতাে বােকামি করে, তাহলে সে চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবে। 

সে আর কোনাে দিন কৃষ্ণগহ্বর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারবে না। বরং সবশেষে যতটা সম্ভব এদের ইতিহাস একটা যন্ত্রণাদায়ক সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দুতে পৌছাবে। তবে সাধারণ আপেক্ষিকতা হচ্ছে চিরায়ত তত্ত্ব।  

তাই এই তত্ত্ব কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অনিশ্চয়তার নীতিকে গােনায় ধরে না।

আজ কৃষ্ণগহ্বর থেকে শক্তি বেরিয়ে আসার ঘটনাকে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা কীভাবে সমর্থন করে, সেটিই চতুর্থ বক্তৃতায় আমি ব্যাখ্যা করব। কৃষ্ণগহ্বরকে যতটা কালাে হিসেবে বর্ণনা করা হয়, তা আসলে তত কালাে নয়।

পঞ্চম বক্তৃতায় মহাবিস্ফোরণ এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তিতে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার ধারণা ব্যবহার করব। এই তত্ত্ব ইঙ্গিত করে যে স্থানকাল সসীম হতে পারে, তবে এর কোনাে সীমানা বা কিনারা থাকবে না। এটা অনেকটা ভূপৃষ্ঠের মতাে, তবে এর মাত্রা দুইয়ের চেয়ে বেশি।

পদার্থবিদ্যার সূত্রগুলাে সময়-প্রতিসাম্য হওয়া সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ থেকে অতীত অনেক আলাদা। নতুন এই সীমানা প্রস্তাব এই বিষয়টি কীভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে, তা দেখাব ষষ্ঠ বক্তৃতায়।

সবশেষে সপ্তম বক্তৃতায় ব্যাখ্যা করব কীভাবে আমরা একটি একীভূত তত্ব খুঁজে পেতে পারি। এই তত্ত্বটিতে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা, মহাকর্ষ ও পদার্থবিদ্যার অন্যান্য মিথস্ক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকবে। যদি কখনাে সেটি অর্জন করা যায়, তাহলে সত্যিকার অর্থেই আমরা এই মহাবিশ্বকে এবং এতে আমাদের সঠিক অবস্থান বুঝতে পারব। দ্য থিওরি অব এভরিথিং এ-ই বই পড়ে। 

স্টিফেন হকিং

দ্য থিওরি অব এভরিথিং 

প্রথম বক্তৃতা

মহাবিশ্ব সম্পর্কে ধারণা

পৃথিবী সমতল থালার মতাে নয়, বরং গােলাকার একটি বস্তু। এটি বিশ্বাস করার সপক্ষে অনেক আগে, প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩৪০ সালে অ্যারিস্টটল অন্তত দুটি ভালাে যুক্তি দেখাতে পেরেছিলেন। তাঁর লেখা অন দ্য হেভেন শিরােনামের একটি বইতে এসব যুক্তি তুলে ধরেছিলেন তিনি।

প্রথমত, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সূর্য আর চাদের মাঝখানে পৃথিবী আসার কারণেই যে চন্দ্রগ্রহণ হয়। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর যে ছায়া পড়ে তা সব সময় গােলাকার দেখায়।

একমাত্র পৃথিবীর নিজের আকার গােলাকার হলেই কেবল এটি সত্য হতে পারে। অন্যদিকে পৃথিবী যদি চাকতির মতাে সমতল হতাে, তাহলে চাঁদের ওপর তার ছায়া হওয়া উচিত ছিল বিলম্বিত ও ডিম্বাকার। 

তবে সে ক্ষেত্রে সূর্য যদি এই সমতল চাকতির সরাসরি ওপরে কখনাে অবস্থান করত, শুধু তখনই চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া গােলাকার দেখা যাওয়ার কথা।

দ্বিতীয়ত, দেশে-বিদেশে ভ্রমণের কারণে গ্রিকরা জানত, উত্তরের অঞ্চলগুলাের তুলনায় দক্ষিণের অঞ্চল থেকে ধ্রুবতারা আকাশে কিছুটা নিচের দিকে দেখা যায়।

মিসর ও গ্রিসে ধ্রুবতারার আপেক্ষিক অবস্থানের পার্থক্য হিসাব করে অ্যারিস্টটল পৃথিবীর পরিধি আনুমানিক চার হাজার স্টেডিয়া বলে উল্লেখ করেছিলেন। এক স্টেডিয়ার দৈর্ঘ্য কতটুকু তা সঠিকভাবে জানা যায়নি।

তবে এর পরিমাপ ২০০ গজ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এই হিসাবে পৃথিবীর পরিধির বর্তমানে স্বীকৃত দৈর্ঘ্যের চেয়ে দ্বিগুণ একটি সংখ্যা পেয়েছিলেন অ্যারিস্টটল। 

অবশ্য পৃথিবী গােলাকার হওয়ার পেছনে গ্রিকদের কাছে নিঃসন্দেহে তৃতীয় আরেকটি যুক্তি ছিল। পৃথিবী যদি গােলাকার না হতাে, তাহলে দিগন্ত থেকে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসা কোনাে জাহাজের প্রথমে পাল আর তার অনেক To be continue….  দ্য থিওরি অব এভরিথিং  / the theory of everything bangla pdf download

তাই আর দেরী না করে the theory of everything bangla pdf download / দ্য থিওরি অব এভরিথিং pdf download বইটি ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করুন। 

the theory of everything bangla pdf download / দ্য থিওরি অব এভরিথিং pdf বইটির হার্ড কফি ক্রয় করুন।      

Rokomari.com | othoba.com.bd      

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...