Tips and tricks
Trending

সত্যিই কি আবু ত্বহা আত্মগোপন ছিলেন? | আবু ত্বহা উদ্ধার রহস্য

আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ২ সঙ্গী ও আরও ১ ড্রাইভার সহ ১০ তারিখ নিখোঁজ হয়ে যান। এর পর ১৮ তারিখ অবশেষে পুলিশের করিৎকর্মার ফলে আবু ত্বহা উদ্ধার পান তার রংপুরের শ্বশুরবাড়ি থেকে। এদিকে আবার তিনি ও তার ৩ সঙ্গী নাকি ৭ দিন ধরে গাইবান্ধার একটি গ্রামে তার বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে আত্মগোপন করে ছিলেন।

অথচ তিনি রংপুর থেকেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন এবং তার স্ত্রীর সাথে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিলো ২০২১ সালের জুনের ১০ তারিখ ভোর আড়াইটার দিকে। আবু ত্বহা জানিয়েছিলেন যে তিনি গাবতলিতে আছেন এবং ২০ মিনিটের মতো লাগবে আর আসতে।

কিন্তু তাহলে গাবতলি থেকে গায়েব হয়ে আবু ত্বহা কিভাবে ও কেন গাইবান্ধার সদর উপজেলার বোয়ালি ইউনিয়নের পশ্চিম পেয়ারাপুর গ্রামে গিয়ে উপস্থিত হন বাকি ২ সঙ্গী ও একজন ড্রাইভার সহ?

অন্যদিকে তার বন্ধু সিয়াম নাকি জানতেনও না যে আবু ত্বহা তার বাড়িতে ব্যাক্তিগত কারণে স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করে আছেন। যেকারনে সিয়াম এমনকি আবু ত্বহাকে খুঁজে বের করবার জন্য মানব বন্ধনেও অংশগ্রহণ করেন।

তাহলে হয়েছিলোটা কি?

আবু ত্বহা আত্মগোপন রহস্যের সমাধানটা কি?

এমন কি হয়েছিলো যার কারণে ভোর আড়াইটার সময় গাবতলি থেকে আবু ত্বহা গাড়ি ঘুরিয়ে ২৬৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গাইবান্ধা সদর উপজেলার একটি নির্জন গ্রামে চলে যান?

আবু ত্বহা আত্মগোপন রহস্য

সিয়ামের মা নিশাদ নাহাদ বলছিলেন যে সে মানে আবু ত্বহা তাদের বাড়িতে এসেছিলেন ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায়। এসে বলেছিলেন যে কারা নাকি তাকে ফলো করছিলেন!

কিন্তু লোকালয়ে পরিচিত মানুষজনের নিরাপত্তার মধ্যে না গিয়ে আবু ত্বহা কেন সেই সুদূর গাইবান্ধার এক গ্রামের নির্জনতায় চলে যান?

তিনি যদি ভয়ই পান যে কেউ তাকে ফলো করছে ক্ষতি করার উদ্দেশ্য নিয়ে তাহলে তো লোকালয়ের থেকে নির্জন স্থানে তার ভয় এবং বিপদ আরও বেশি হবার কথা।

এদিকে আবার গুগলের ফাইন্ড মাই ডিভাইস ফিচার ব্যাবহার করে ১৮ জুন ২০২১ ভোর ১২:৪১ মিনিটে আবু ত্বহার ফোনের লাস্ট লোকেশন ট্র্যাক এর স্ক্রিন শট দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায় যে ৩ দিন আগে নাকি ওই ফোন DGFI এর হেডকোয়ার্টার এরিয়াতে সর্বশেষ একটিভ অবস্থায় ছিল।

আবু ত্বহা আত্মগোপন
আবু ত্বহা আত্মগোপন

তার উপর আবার আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান এর জন্য নিয়োগকৃত আইনজীবী বলছেন যে তিনি নাকি মা ও স্ত্রীর ঝগড়ার কারনে মসজিদে ইতেকাফে গিয়েছিলেন।

এমনকি তাকে খুঁজে পাবার কিছু সময়ের মধ্যে তো কিছু বিশেষ গ্রুপে এমন ধরনের খবরও পাওয়া যায় যে ২ স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য কলহ হওয়ার কারনে নাকি তিনি প্রথম স্ত্রীর বাসায় আত্মগোপন করেন। কিন্তু ২ স্ত্রীর সাথেই যদি কলহ বাঁধে তাহলে ২ জনের কাছ থেকেই আত্মগোপন করা উচিৎ ছিল না?

আমরা অবশ্য এখন জানি যে খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যে এবং কে বা কারা এই খবরটিকে কোন এক বিশেষ কারনে শুরুতে ইচ্ছাক্রিতভাবে ছড়িয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়াতে এবং কিছু মানুষ সরল মনে তা বিশ্বাসও করে নিয়েছিল।

আবু ত্বহা আত্মগোপন
আবু ত্বহা আত্মগোপন

কিন্তু এতো বিভিন্নমুখী পরস্পরবিরোধী কাহিনী কেন শোনা যাচ্ছে?

ALL PART OF THE PLAN

এখন হেটাররা বলবে যে প্রশাসন মিথ্যা কথা বলছে!

কিন্তু…

মোটেও এরকম কিছু নয়!

দেশে কিছু একটা হলেই বাঙ্গালী জাতি সরকার ও প্রশাসনকে দোষারোপ করতে থাকে।

কিন্তু এমনটা কোনমতেই করা উচিৎ নয়।

একটা জিনিস চিন্তা করুন।

বাংলাদেশের DGFI এবং সকল গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি এতই বোকা যে সিম্পল একটা এনড্রয়েড ফোন যে ট্র্যাক করা যায় গুগোলের ডিভাইস ফাইন্ডার ফিচার দিয়ে এটা তারা আগে থেকে চিন্তা করে রাখবে না?

অথবা তারা এটা চিন্তা করবে না যে নরমাল একটা হুজুর পরিবারকে কেউ একজন এইধরনের টেক সাপোর্ট দিতে পারবে?

অবশ্যই তারা নারুতর উচিহা মাদারা, ব্লিচের সাসকে আইজেন অথবা ব্যাটম্যান এর জোকারের মতো সকল কিছু আগে থেকেই প্ল্যান করে রাখতে পারে এবং তাদের কাছে সকল কিছুই “ALL PART OF THE PLAN”

ALL PART OF THE PLAN
ALL PART OF THE PLAN

বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এতো বুদ্ধিমান ও সৎ বলেই বর্তমানে দেশে অপরাধের হার এতো কম।

মানব পাচার, ড্রাগ ডিলিং, খুন, গুম, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, স্মাগলিং, খাবারে ভ্যাজাল এগুলো আমাদের দেশে প্রায় হয় না বললেই চলে এবং এসব কিছুই হল আমাদের শক্তিশালী প্রশাসনের অবদান।

এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল এসপিওনাজে বাংলাদেশ যে প্রথম সারিতে সেটা মাসুদ রানার কল্যাণে আমরা সকলেই জানি। 😌

যাই হোক আমরা আবু ত্বহার আত্মগোপনের প্রসঙ্গে পুনরায় ফেরত এসে পড়ি।

আবু ত্বহার আত্মগোপন এর আসল কারন

আসল ঘটনাটি এবারে রিভিল করার পালা!

আপনাদেরকে এবারে জানানো হবে যে আসলেই কি আবু ত্বহা আত্মগোপন করেছিলেন কিনা?

আসলে…

হয়েছিলো কি…

যে…

আবু ত্বহা রংপুর থেকে আসলেই ফেরত আসছিলেন ঢাকাতে।

পথিমধ্যে তিনি টের পান যে ২ টি বাইক সারা রাস্তা ধরে তাদের পিছন পিছন আসছে।

তিনি সেটা স্ত্রীকে ফোন দিয়ে জানিয়েও রাখেন।

কিন্তু যতই ঢাকার দিকে এগোচ্ছিলেন ততই তার অস্বস্তিও বেড়ে চলছিল।

কারন…

মোটরবাইক দুটি এখনও তাদের পিছনেই আছে!

গাবতলিতে প্রবেশ করার পর যদিও তিনি স্ত্রীকে ফোন দিয়ে জানান যে আর বেশিক্ষণ লাগবে না।

কিন্তু…

তার মনে ছিল শঙ্কা।

লোকালয় গিয়ে যদি শত্রুদের মুখোমুখি হতে হয় তাহলে অনেক সাধারণ মানুষের জান-মালের ক্ষয় ক্ষতির আশংকা রয়েছে।

সে কারণে তিনি তড়িৎ গতিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।

মাইক্রোবাসের কাচ নামিয়ে তিনি বাইকারদের উদ্দেশ্য করে বলে উঠেন।

.

.

.

.

.

“LET’s FIGHT in an EMPTY SPACE” ভাতিজা…

জি হ্যাঁ…!

DRAGON BALL এর GOKU কে আদর্শ ধরে আবু ত্বহা তার সকল ব্যাক্তিগত কনফ্লিক্টকে লোকালয়ে না নিয়ে স্বেচ্ছায় চলে যান সুদূর ২৬৪ কিলোমিটার দূরের একটি নির্জন গ্রামে।

আবু ত্বহা উদ্ধার

একারনেই পরবর্তীতে রংপুর ডিবি এটা বলেছিল যে, আবু ত্বহা ব্যাক্তিগত কারণে স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করেছিলেন।

মূলত তিনি ব্যাক্তিগত এই কনফ্লিক্টটিকে স্বেচ্ছায় গোপনে গুম করে দেবার জন্যই আসলে এমনটা করেছিলেন

এখানে যদি তারা একে অপরের সাথে এগ্রেসিভ ব্যাটলও করেন তবুও ক্ষয়ক্ষতির হার অনেক কম হবে।

ঠিক যেমন একটা সময় GOKU নিজের ব্যাক্তিগত উদ্দেশ্য চরিতার্থ করবার জন্য ভিজিটাকে নিয়ে গিয়েছিল নির্জন স্থানে। 💧

এদিকে আবার নির্জন স্থানে ঠ্যাক খাবার ভয়ে অথবা অন্য কোন আশংকার কথা চিন্তা করে ফলোয়ার বাইকারেরা পথিমধ্যে চুপিসারে কেটে পড়েন। কিন্তু আবু ত্বহা এতকিছু খেয়াল না করে এসে পড়েন তার বাকি ২ সঙ্গী ও একজন ড্রাইভার সহ যাদের হাতে আগামী ৭/৮ দিন আর কোন কাজ ছিল না। তাই তারাও প্রাকৃতিক পরিবেশে চিল করার জন্য আবু ত্বহার সাথে এসে পড়েন নির্জন গ্রামে।

মাইক্রোবাসটির মালিকের কাছে টাকা পয়সা হাতের ময়লা তাই তিনিও আগে থেকেই তার বিশ্বস্ত কঠোর পরিশ্রমী ড্রাইভারকে ছুটি মঞ্জুর করে রেখছিলেন এবং মাইক্রোসহ ৭/৮ দিন স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে বেড়িয়ে আসার জন্য পারমিশন দিয়ে রেখেছিলেন।

গাড়ির ড্রাইভারও গাইবান্ধার এক নির্জন গ্রামে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাইক্রোবাস সহ তার মূল্যবান ছুটিটা ব্যাবহার করে ফেলার লোভটা আর সামলাতে পারেননি।

আবু ত্বহা উদ্ধার
আবু ত্বহা উদ্ধার

সিয়ামের মা বলেছিলেন যে আবু ত্বহাকে নাকি ভীত সন্ত্রস্ত দেখাচ্ছিল। সত্যি কথা হল যে তিনি মোটেও ভীত সন্ত্রস্ত ছিলেন না, বরং আন্টি তার ইমোসন রিড করতে ভুল করেছিলেন।

আবু ত্বহা আসলে টেনশনে ছিলেন এই চিন্তা করে যে কেন এখনও তার ফেইটেড রাইভালেরা এসে পৌছায়নি। এই চিন্তা করতে করতেই তারা সেখানে ৭ দিন পার করে দেন।

অতিরিক্ত চিন্তা মানবজাতির জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়।

এখানে উল্লেখ্য যে আন্টি শুরুতে আবু ত্বহার ভীত থাকার কথাটি উল্লেখ করেন। কিন্তু বাকি তিনজনের ব্যাপারে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি। ইনফ্যাক্ট যখন পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হয় যে আবু ত্বহা আদনান কি একলাই এসেছিল নাকি তখন গিয়ে তিনি মনে করে বলতে পারেন যে আরও তিনজন তো সাথে ছিল!

এর মূল কারন হল বাকি তিনজন আবু ত্বহার মতো নিজেদের বুকে গোকুর আদর্শ ধারন করে না! যেকারনে তারা চিল মোডে দিব্যি কেরাম খেলতে থাকেন যখন আবু ত্বহা ধ্যানে বসে বাইকারদের জন্য করতে থাকেন অপেক্ষা। তাদের টেনশন মুক্ত চিল মোডের কারনেই সিয়ামের মায়ের কাছে বাকি তিনজনের প্রেজেন্স তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি।

এদিকে সিয়ামের মা আরও বলেছিলেন যে তাদের বাসায় টিভি নষ্ট ছিল ছিল তাই তিনি আবু ত্বহার গুমের ব্যাপারে কিছু জানতেন না।

এবং এই ৭ দিনে একটিবারও তার ছেলে ফোন দিয়ে মায়ের খবরাখবর নেয়নি অথবা জানাননি যে বন্ধু আবু ত্বহাকে তো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কারন সিয়াম তার বন্ধু আবু ত্বহাকে খুঁজে পাবার জন্য মানব বন্ধনে স্ট্যাচু অফ লিবার্টির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে বিজি ছিলেন।

সিয়ামের মাও মোবাইলের খরচ বাঁচানোর জন্যই তার ছেলেকে আর ফোন দিয়ে বলেননি যে তোমার বাল্যবন্ধু তো আমাদের বাসায় এখন ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে।

এক্ষেত্রে যা হবার তাই হল…

আবু ত্বহার সন্ধান চাই

আবু ত্বহার সন্ধান চাই বলে রব তোলা জনগনের ঘ্যানঘ্যানানিতে বিরক্ত হয়ে ফেইস দ্যা পিপল নামের একটি নিউজপোর্টাল আবু ত্বহার পরিবার ও কোথাকার কোন আইটি এক্সপার্ট এর সাথে জানি কথাবার্তা বলে গুগোলের Find My Device ফিচারটি ব্যাবহার করে নাকি ত্বহার এনড্রয়েড ফোনটি লোকেট করে ফেলে।

এবং লোকেশনে গুগল দেখায় যে বাংলাদেশের DGFI (Directorate General of Forces Intelligence) এর হেডকোয়ার্টার এর আশেপাশে তিন দিন আগে সর্বশেষ ফোনটি একটিভ অবস্থায় ছিল।

আবু ত্বহার ফোন

নিঃসন্দেহে এটি গুগলেরই একটি ভুল কারন বাংলাদেশের প্রশাসন কাউকে অকারনে না জানিয়ে গুম করার মতো কোন কাজ করতেই পারে না।

অতীতেও তাদের এমন কোন কিছু করার কোন রেকর্ড নেই।

কেউ এধরনের কোন প্রমান আজ পর্যন্ত দিতে পারেনি।

এছাড়াও বাংলাদেশের গোয়েন্দাবৃত্তি ও IT সেক্টর প্রচণ্ড রকমের উন্নত।

একারনেই বাংলাদেশের ইন্টালিজেন্স ফোর্স পৃথিবীর প্রথম সারির মধ্যে রয়েছে এবং তাদের চোখ এড়িয়ে কিছুই ঘটা সম্ভব নয়।

মাসুদ রানা নামক অশ্লীল বইটির কল্যাণে এসব কোন কিছুই আপনাদের কাছে অজানা নয়।

আমাদের আইটি সেক্টর প্রচণ্ড রকমের এডভান্স বলেই দেশের সকল সরকারী ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল সেবাগুলোও অত্যন্ত উন্নতমানের এবং হাই লেভেলের সিকিউরিটি সম্পন্ন।

সুতরাং DGFI যদি নিজেরা যদি গুমের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের দ্বারা গুগল ট্র্যাকিং এর মতো এই অতি সাধারণ ভুলটা হতেই পারে না যেহেতু তারা টেকনোলজির কাণ্ডারি।

যাই হোক…

গুগল ট্র্যাকিং এর স্ক্রিন শটটি ফেইস দ্যা পিপল থেকে পোস্ট করা হয় ১৮ তারিখ শুক্রবার ভোর ১২ টা ৪১ মিনিটে।

কাকতালীয়ভাবে ঠিক ওইদিনই পোস্টটি দেওয়ার ১৩/১৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবু ত্বহাকে পুলিশ উদ্ধার করেন তার রংপুরের শ্বশুরবাড়ি থেকে!

It’s so wrong man!

হেটারেরা বলবেন যে লোকেশন রিভিল হবার সাথে সাথে তাকে ওভারনাইট জার্নি করিয়ে এক শ্বশুরবাড়ি থেকে আরেক শ্বশুরবাড়ি পৌছিয়ে দেওয়া হয়েছিলো।

তারা আরও বলবে যে একারনেই তাকে ভিডিওতে কিঞ্চিৎ দুর্বল প্রকৃতির দেখাচ্ছিল যেহেতু এতদিন বন্দি অবস্থায় থাকার পর আবার ওভারনাইট জার্নি করে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সেখান থেকে আবার রংপুর ডিবির অফিসে যাওয়া লাগে।

কিন্তু না!

এগুলো সব আপনাদের ভ্রান্ত ধারণা!

আসলে এখানে ব্যাপার কি ঘটেছিলো আমি বলি আপনাদের।

শ্বশুরবাড়িতে আবু ত্বহা আত্মগোপন

বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে অপেক্ষা করতে করতে আবু ত্বহার ধৈর্যচ্যুতি ঘটে যায়।

একদিকে দেখা নেই বাইকারদের আবার অন্যদিকে দেখা নেই তার বন্ধু সিয়ামেরও।

আবু ত্বহা নিজেও টেনশনে থাকার কারণে বন্ধু সিয়ামকে ফোন করার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে তার বাড়িতেই দিন কাটাতে থাকেন।

টেনশনের প্রভাবে নিজের ফোনে চার্জ দিতেও ভুলে যেতেন এবং এভাবে করে দীর্ঘ সময় তার ফোন চার্জের অভাবে থাকতো বন্ধ।

যেকারনে কেউ তাকে ফোন করেও পাচ্ছিল না কারন “কাকতালীয়ভাবে” ফোন দেওয়ার টাইমটাতেই তার ফোনে চার্জ থাকতো না।

ধৈর্যচ্যুতি ঘটে যাবার কারনে এবারে তারা চিল করতে চলে যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে রংপুর আবহাওয়া অফিস মাস্টারপাড়া এলাকায় আবু ত্বহার শ্বশুরবাড়িতে।

আবু ত্বহার কাকতালীয় ঘটনা এবং ইলুমিনাটি কনফার্মড!

ঘটনাচক্রে আবু ত্বহা যেদিন শ্বশুরবাড়িতে থাকবেন ওইদিনই তার ১৩/১৪ ঘণ্টা আগে দিয়ে ভোর সাড়ে ১২ টার কিছু পরে তার ফোনের লাস্ট লোকেশন DGFI এরিয়াতে পাওয়া সংক্রান্ত স্ক্রিন শট সহ পোস্টটি দেওয়া হয়েছিলো যেখানে দেখা গিয়েছিল যে ৩ দিন আগে তার ফোনটি সে এরিয়াতে একটিভ অবস্থায় ছিল।

এটি সম্পূর্ণ আনইনটেনশনাল একটি ঘটনা ছিল এবং ঘটনার সাথে আবু ত্বহার বৈধ অবৈধ কোন সম্পর্কই নেই।

তিনি তো শুধুমাত্র GOKU এর মতো একটি EMPTY SPACE এ গিয়ে নিজের ব্যাক্তিগত কনফ্লিক্ট স্বেচ্ছায় গুম করে দিতে চেয়েছিলেন এর থেকে বেশি কিছু নয়!

ইলুমিনাটি কনফার্মড
ইলুমিনাটি কনফার্মড

কেন মানুষ আবু ত্বহাকে নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছিল না?

বাংলাদেশের পুলিশ এবং গোয়েন্দাবিভাগ অনেক কেপেবল হওয়া সত্ত্বেও আবু ত্বহা গুমের পর ৭ দিন ধরে তারা কিছুই করতে পারেননি।কারন তখন তারা পরির মতো একটি কেস নিয়ে বিজি ছিলেন যেটা ৪ জন মানুষ গুম হবার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

বাংলাদেশের মূলধারার মিডিয়াও এ নিয়ে তেমন মাথা ঘামাচ্ছিল না কারন তারা তখনও জানতেন না যে আবু ত্বহা নিজের বুকে গোকুর EMPTY SPACE এর আদর্শ ধারন করে রেখেছেন।

যে কারনে ৪ টা মানুষ ৭ দিন ধরে গুম হয়ে থাকার পরেও তাদের কোন মাথাব্যাথা ছিল না এটা নিয়ে।

তাই তারাও পরিদের রাজ্যে গিয়ে নাচানাচি করতে থাকে।

একটুর জন্য BTV তে আমরা আরও একবার বাতাবী লেবুর ফলন দেখতে পাইনি।

এমনকি আমাদের জনগণও সত্যি মিথ্যা যাচাই না করে কার মুখের কথা বিশ্বাস করা উচিৎ এবং কার মুখের কথায় সন্দেহ রাখা উচিৎ এসব কিছু চিন্তা ভাবনা না করেই নাচানাচিতে যোগদান করেন।

সত্য কথা হল সোনার বাংলাদেশের মানুষেরা মাটির মতোই সরল তাই যেকোনো কথা সহজেই বিশ্বাস করে ফেলেন তারা।

এরাই হল আমাদের সোনার জনগন! ✊

পড়ুন আবু ত্বহা নিখোঁজ বনাম পরিমনি ধর্ষণ

এছাড়াও বাংলাদেশের পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ ও মিডিয়াকে তেমন একটা দোষও দেওয়া যায় না আসলে।

কারন…

আবু ত্বহা তখন বাইকারদের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে সেকলুডেড রিট্রিটে ছিলেন চাইনিজ কালটিভেসন মানহুয়ার হিরোদের মতো।

তিনি ধ্যানে বসার সাথে সাথেই তার ও তার সহকর্মীদের প্রেজেন্স এবং ট্রেইস পৃথিবী থেকে মুছে যায়।

ঠিক যেন নারুত অ্যানিমে থেকে উঠে আসা একজন শিনোবি (নিনজা) যে কমলা রং এর জ্বলজ্বলে ড্রেস পরেও খোলা ময়দানে নিজেকে শত্রুর নজর থেকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়।

BELIEVE IT!
BELIEVE IT!

সুপার সেইয়ানদের মতই একটি এনার্জি AURA বা আভা তার শরীর থেকে বিচ্ছুরিত হতে থাকে যার প্রভাবে তারা বাহিরের পৃথিবীর কাছে হয়ে যান আনট্রেসেবল…

যেকারনে তারা ৭ দিন একটি গ্রামে অবস্থান করলেও তাদের উপস্থিতি তো দূরে থাক, আশেপাশের কারও এমনকি এটাও নজরে আসেনি যে, ৭ দিন ধরে একটি মাইক্রোবাস কোন নড়াচড়া ছাড়া এখানে কি করছে?

ধ্যানের আলোয় গ্রামবাসীদের চোখ ঝলসে গিয়ে তারা হয়ে যায় অন্ধ!

ধ্যানের আলোয় অন্ধ গ্রামবাসী
ধ্যানের আলোয় অন্ধ গ্রামবাসী

এবং ঠিক একারনেই পুলিশ বা মিডিয়ার পক্ষে তার ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আবু ত্বহা উদ্ধার অভিজান চালানো অথবা নিউজ করা এককথায় ছিল অসম্ভব একটি ব্যাপার।

তবে মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে আবার ভিন্ন একটি কথাও শোনা যাচ্ছে।

আবু ত্বহা ও তার সঙ্গীদের যাতায়াত ব্যাবস্থা

The Daily Star এর করা একটি প্রতিবেদন অনুসারে, সিয়ামের ছোট চাচা সোহেল নেওয়াজ খান যিনি সিয়ামের গাইবান্ধার বাড়িটির মালিক, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে আবু ত্বহা আদনান এবং তার সঙ্গীদেরকে দেখেছিলেন কিনা।

তিনি বলেছিলেন যে পাশের বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও তিনি কোন মাইক্রোবাস প্রবেশ করতে দেখেননি এবং জানতেও পারেননি যে ৪ জন ব্যাটা ছেলে একলা একজন মহিলার বাড়িতে এসে ১ সপ্তাহ ধরে স্বেচ্ছায় আত্মগোপন হয়ে আছে একটি মাইক্রোবাস সহ।

তার বাড়িতে টিভি নষ্ট ছিল না তাই তিনি টিভিতে আবু ত্বহার নিরুদ্দেশ হবার ব্যাপারে জেনেছিলেন।

কিন্তু কষ্ট করে ভাতিজা সিয়ামের মাকে এসে বলতে যাননি কিছু এ ব্যাপারে কারন তিনি কিঞ্চিৎ অলস প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। 💦

মনে রাখবেন অলসতাই মানব জাতির অধপতনের মূল কারনগুলোর একটি।

তবে হ্যাঁ…

আবু ত্বহা এন্ড গ্যাং ১টি সাদা কারে করে শুক্রবারে সেখান থেকে চলে যায় সেটা তিনি দেখেছিলেন ঠিকই। 👌

প্রতিবেদনের ভিডিওটি পাবেন এখানে

এখন প্রশ্ন হল…

যে…

মাইক্রবাসটির তাহলে কি হল? 💧

আবু ত্বহা ও তার সঙ্গীরা আসলো মাইক্রোবাসে কিন্তু গেলো সাদা কারে এ কি করে সম্ভব?

আসলে মানবজাতির কাজ হল চিন্তা ভাবনা না করেই অন্যের দোষ ত্রুটি ধরার চেষ্টা করা।

একারনেই সহজ এই বিষয়টি নিয়ে তারা সাপেদের মতই এতো পেঁচাচ্ছে! 👉🐍

তবে হ্যাঁ…

আমরা এটাও জানি যে মানব জাতির সকলের মস্তিষ্ক একভাবে কাজ করে না। 🧠

কোন একটা ব্যাপার কারও বুঝতে লাগে মিনিটখানেক, কারও লাগে কয়েক বছর আবার কারও সারা জীবনেও হয় না!

এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই বরং এটা স্বাভাবিক একটি ব্যাপার।

যাই হোক আপনাদের সামনে এখন তাহলে মাইক্রোবাসের আত্মকাহিনী রিভিল করছি।

মাইক্রোবাসটি সিয়ামের চাচা পাশের বাড়িতে থেকে কেন দেখতে পাননি সেটা বুঝতেই পারছেন।

মূলত আবু ত্বহা চাইনিজ মানহুয়ার হিরোদের মতো সেকলুডেড রিট্রিটে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে বসে ধ্যান করবার সময় তার শরীর থেকে বের হওয়া আলোকছটায় মাইক্রোর অস্তিত্ব সংকটে পড়ে গিয়েছিল তাই আর কেউ দেখতে পায়নি। 👀

মানব জাতির পরবর্তী প্রশ্ন হল যে মাইক্রোবাসে করে এসে সাদা কারে করে চলে গেলেন কিভাবে তারা?

বেচারা মাইক্রোবাসটির তাহলে কি হল? 💦

আপনাদের মধ্যে যারা যারা ট্রান্সফর্মার অ্যানিমে অথবা মুভি দেখেছেন তাদের এতক্ষনে বিষয়টি ধরে ফেলার কথা! 👊

তবে টেকনোলোজিতে পৃথিবীর শীর্ষে থাকা ডিজিটাল বাংলাদেশ যে ইতিমধ্যে ট্রান্সফর্মারস এর টেকনোলোজি ব্যাবহার করা শুরু করে দিয়েছে এ জ্ঞান বোধ হয় খুব অল্প সংখ্যক মানুষের কাছেই আছে! 🤏

জি হ্যাঁ…

মাইক্রোবাসটি আসলে AUTOBOT ও DECEPTICON দের মতোই ট্রান্সফর্ম করে সাদা একটি কারে পরিনত হয় এবং আবু ত্বহা তার ২ সঙ্গী আর ড্রাইভার সহ সেই ট্রান্সফর্মড কারে করেই চলে যায় শ্বশুরবাড়ির হাওয়া খেতে… 🐸👌

আবু ত্বহা উদ্ধার
আবু ত্বহা উদ্ধার

গুগলের ভুলের এক্সপ্লেসনটিও এখন তাহলে দিয়ে দিই!

গুগলের ভুল ট্র্যাকিং

খুব সম্ভবত গুগলের ফাইন্ড মাই ডিভাইস দিয়ে আবু ত্বহার ভিভো এনড্রয়েড ফোনের লাস্ট একটিভ লোকেশন ট্র্যাক করার সময়ে তার ধ্যানের AURA এর প্রভাবেই লোকেশন সরে যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলা থেকে ২৬৭ কিলোমিটার দূরের DGFI এর হেডকোয়ার্টার এরিয়াতে!

এবং এই ব্যাপারটি DGFI এবং মূল প্রশাসন ধরতে পেরেছিল বলে আমার ধারণা! 👌

তাই তারা তাদের দিকে এতো বড় একটা ইন্ডিকেশন দেখিয়ে এতো বড় একটা অপবাদ দেওয়ার অপচেষ্টা চালাবার পরেও ফেইস দ্যা পিপলের বিরুদ্ধে কোন একশন নেয়নি।

এমনকি ট্র্যাকিং স্ক্রিন শট সমেত ৩৪ হাজারের উপর লাইক/রিএক্সন, ১২ হাজারের উপর শেয়ার ও ৪ হাজারের উপরে কমেন্ট পড়া আলোচনা সমালোচনা সম্পন্ন যত নষ্টের গোড়া ওই পোস্টটিকেও ডাউন করার কোন চেষ্টা তারা চালায়নি। ✌

এ থেকেই বোঝা যায় যে আবু ত্বহা আদনানের মোবাইলের ট্র্যাকিং লোকেশন DGFI এরিয়ার দিকে হওয়াটা গুগলের একটি ত্রুটিপূর্ণ মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং ছাড়া আর কিছুই নয়। 🤚

কারন তারা যেহেতু বিশ্বের সেরা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি যারা কোন ভুলই করতে পারে না, সেহেতু তাদের পক্ষে ধ্যানের AURA এর প্রভাবে গুগোলের বিচ্যুতির ঘটনাটি ফিগার আউট করা তেমন একটা কঠিন ব্যাপার নয়।

তা নাহলে এরকম একটি অ্যালিগেশন এর পরও দেশের সম্মানিত এই প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে চুপ করে বসে থাকতে পারে?

ঠিক যেমন আলজাজিরা “All the Prime Minister’s Men” নামে বাংলাদেশ সরকারকে নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদনটি করার পর সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছিলো যদিও কোন এক কারনে মামলাটি শেষ পর্যন্ত করা হয়নি…

একইভাবে DGFI Face The People-ফেস দ্যা পিপল এর মতো সাধারণ একটি নিউজ পোর্টাল ও পাবলিক ফিগারের বিরুদ্ধে অবশ্যই এক্সনে যেতো অথবা মিডিয়াতে তাদেরকে ইন্ডিকেট করে কোন ধরনের মন্তব্য করতো যদি এধরনের কোন মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং না হতো।

আবু ত্বহা আত্মগোপন সংবাদ

তবে বাংলাদেশের মূলধারার মিডিয়াকে ধন্যবাদ যে ৭ দিন আবু ত্বহার গুম হয়ে থাকা নিয়ে কোন নিউজ না করা সত্ত্বেও সে ফিরে আসার পর পরই নিউজের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে তারা।

নিউজ পোর্টাল, নিউজ পেপার, নিউজ চ্যানেল সব জায়গায় এখন আবু ত্বহা আত্মগোপন সংবাদে সয়লাব হয়ে গিয়েছিল তিনি ফিরে আসার পর পরই। একটু দেরিতে হলেও তারা অবশেষে মনোযোগ দিয়েছেন এদিকে এবং এখন আবু ত্বহার ব্যাপারে বেশি বেশি নিউজ করে আগের খামতিটা পুষিয়ে নিচ্ছেন।

ঠিক যেমন পরীক্ষার আগে রাতে ছাত্ররা রাত জেগে পড়ে সারা বছরের পড়াশোনার ক্ষতিটা পুষিয়ে নেয়! 👌

যদিও দার্শনিক ও গুরুজনেরা বলেন সময়ের কাজ সময়ে করতে হয় এবং সময়ের মূল্য দিতে হয় কারন সময় ও স্রোত কাহারও জন্য অপেক্ষা করে না। 👈

কিন্তু এটাও সত্য যে বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলে গিয়েছেন, সময় হল আপেক্ষিক এবং সময় সম্পর্কিত মানব জাতির ধারনাটি একটি ইলুসন বা বিভ্রম ছাড়া কিছুই নয়…

তাই আমাদের দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোও গুরুজন ও দার্শনিকদের কথা ফেলে দিয়ে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয়ী পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আবু ত্বহার নিউজ কভার করার ক্ষেত্রে মায়া ও বিভ্রম যুক্ত সময়ের এই ধারনাটি প্রয়োগ করে।

যদিও পরিমনির নিউজ এবং সাকিবের লাথি দিয়ে উইকেট ফেলার খবরের ক্ষেত্রে তারা সময়ের এই বিভ্রান্ত কনসেপ্টটি প্রয়োগ না করে সময়ের কাজ সময়েই সেরে ফেলে সময়ানুবর্তীতার পরিচয় দেন।

কিন্তু তারা আসলে কাজটা ভুল করে করেছিলেন কারন মানুষ মাত্রই ভল! 💦

এবং এই ভুলের মাসুল হিসেবেই তারা এখন আবু ত্বহার সংবাদ পাবলিশ করে করে নোয়াহ এর মহাপ্লাবনের সিনারিও সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন সংবাদের জগতে! 👏

সবশেষে আরও একটি রহস্যের সমাধান করে যাই…

.

.

.

.

.

somoynews.tv এর একটি প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, আবু ত্বহার আইনজীবী দাবী করেছেন যে, আবু ত্বহা আদনান নাকি স্ত্রীর সাথে তার মায়ের কলহের কারনে ইতেকাফে ছিলেন এবং বাকিরা ছিল নাকি তার খেদমতে (!)… 👈

প্রতিবেদনের ভিডিওটি পাবেন এখানে

এছাড়াও প্রতিবেদনের ভিডিওটিতে নেওয়া ইন্টারভিউগুলো অনুসারে বাংলার জনগনের নাকি কাছে সুস্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে ত্বহা নিজের পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বর্তমান প্রশাসন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে।

কাকতালীয়ভাবে” ইন্টারভিউ নেওয়া ২ জনই বর্তমান সরকার দলের কোন না কোন অঙ্গসংগঠনের সদস্য।

তবে এটি সম্পূর্ণই “কাকতালীয়” ব্যাপার এবং প্রশাসনের সাথে এর কোন বৈধ সম্পর্ক নেই।

এখানে বড়জোর লীগ কনফার্ম হতেপারে কিন্তু ইলুমিনাটি কনফার্মড হবার কোন সুযোগ নেই!

তবে ইতেকাফের দাবীটি আবার মূল কাহিনীর সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ মনে হচ্ছে।

কারন তারা যদি ৭ দিন ধরে গাইবান্ধার একটি নির্জন গ্রামে একটি বাড়িতে এমনভাবে লুকিয়ে থাকেন যেন কোন জনমানুষ তাদের অস্তিত্ব পর্যন্ত টের না পায়, তাহলে তারা আবার ইতেকাফে গেলেন কখন?

চিন্তার কিছু নেই! ✌️

এর এক্সপ্লেনেসনও আমি এখনই দিয়ে দিচ্ছি। 👌

ইতেকাফ বনাম ইত্তেফাক

আসলে শব্দটি “ইতেকাফ” হবে না শব্দটি হবে “ইত্তেফাক” 👈

আইনজীবী সাহেব আলেম নন তো তাই তিনি দুই শব্দের মধ্যে পার্থক্য ঠিক ধরে উঠতে পারেননি। 💦

ইত্তেফাক হল উর্দু শব্দ যার অর্থ হল ইংরেজিতে “COINCIDENCE” আর বাংলায় “কাকতালীয়“।

আসলে আবু ত্বহার আত্মগোপন এডভেঞ্চার শুরু হবার পর থেকে এতো এতো “কাকতালীয়” ব্যাপার ঘটছিলো তিনি আদালতে জবানবন্দী দেওয়ার সময় সেগুলো সম্পর্কেই বলছিলেন এবং সেটাকে বোঝানোর জন্য বার বার ইত্তে ফাক শব্দটি ব্যাবহার করছিলেন…

কিন্তু বেচারা আইনজীবী এধরনের ভাষার সাথে তেমন একটা পরিচিত নন তাই তিনি একে ইতেকাফের সাথে গুলিয়ে ফেলেন যা সাধারণত ২০ রমজান মাগরিবের পর থেকে মানুষ শুরু করে। 💦

সকলে এখন আবু ত্বহা আত্মগোপন রহস্যের ব্যাপারে ক্লিয়ার তো…? 👈

আশা করছি আপনারা এখন আর শুধু শুধু প্রশাসনকে দোষ দিতে যাবেনা না।

কারন আশাই মানব জাতিকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ✌️

তাই শুধু শুধু উল্টা পাল্টা কথাবার্তা বলে আবার অকালে গুম হতে যাবেন না।

ধন্যবাদ

আবার আসবেন… 👊

[Fin]
Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...