islamic books

উম্মুল মুমিনীন সীরাতে আয়েশা pdf download

নাম:-  উম্মুল মুমিনীন সীরাতে আয়েশা pdf download.  

সীরাতে আয়েশা pdf download লেখক:- সাইয়্যেদ সুলাইমান নদভী রহ.

পৃষ্ঠা:- ৫১৩। 

সাইজ:- ১২ এম্বি। 

সীরাতে আয়েশা pdf download :-বইয়ের প্রথম কিছু অংশ:-

রচনা এবং রচয়িতা সম্পর্কেেজ গারির স্বচ্ছতা ছিল সর্বজনবিদিত। তার সম্মানিত পিতা মৌলভি আবুল হাসান ছিলেন সকলের সমীহের পাত্র, অত্যন্ত রুচিশীল ও পরহেজগার মানুষ।বিশেষ বিজ্ঞ হেকিম হিসেবেও তার সুনাম ছিল এলাকার সর্বত্র।

সাইয়্যেদ সুলাইমানের জ্ঞানচর্চার হাতেখড়ি স্থানীয় আলেম খলীফা আনওয়ার আলী রহ.-এর কাছে। অগ্রজ সাইয়্যেদ আবু হাবিবও ছিলেন প্রাথমিক কিছু কিতাবের শিক্ষাগুরু। প্রিয় অনুজকে তিনি মাওলানা শাহ ইসমাইল শহীদ রচিত তাকবিয়াতুল ঈমান বিশেষ পদ্ধতিতে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পড়িয়েছিলেন।

তিনি লেখকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং লেখার সারবত্তা ও মর্মবস্তু এমনভাবে খুলে খুলে তুলে ধরেছিলেন যে, সাইয়্যেদ সুলাইমানের কচি মনে এসব বদ্ধমূল হয়ে যায়। এবং এই বিষয়টিই তার কর্ম ও চেতনাকে বেগবান করে আজীবন।

সেসময় ফুলবাড়ি পাটনার খানকায়ে মুজিবির একজন উচ্চমার্গের আলেম ছিলেন মাওলানা শাহ মুহিউদ্দীন (মৃত্যু : ২২ এপ্রিল ১৯৪৭)। কিছুকাল তার ছাত্রত্ব-লাভেও ধন্য হন সাইয়্যেদ সুলাইমান বেশ কিছু আরবী কিতাব অধ্যয়নের মধ্য দিয়ে।সীরাতে আয়েশা pdf download. 

তিনি ফুলবাড়িতে দর্শন ও তর্কশাস্ত্রেরও কিছু কিতাব পড়েন। শাহ সুলাইমান সমকালীন মুমতায উলামা, খুতবা ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের তালিকায় ছিলেন অন্যতম। নদওয়াতুল উলামার মূল ব্যক্তি যারা, তিনি তাদেরও একজন। ফুলবাড়ির শায়খের মসনদও তার আলােয় ধন্য হয় কিছুকাল।

১৯০১ সালে শাহ সুলাইমান নদওয়ায় দাখিল হন এবং ১৯০৭ সাল পর্যন্ত আসাতিযা কেরাম থেকে ইসতিফাদা করে ফারেগি-সনদ হাসিল করেন।

১৯০৫ সালে হযরত মাওলানা শিবলী নুমানী রহ. নদওয়ার শিক্ষাসচিব নিযুক্ত হন। তিনি ছাত্রদের মেধা-যাচাই ও শিক্ষার মান-নির্ণয়ের উদ্যোগ নেন। এ সময় সাইয়্যেদ সুলাইমানের অনন্যসাধারণ মেধা ও প্রতিভা তাকে মুগ্ধ করে। হযরত শিবলী নুমানী রহ. নিজে তাঁর ইলমী তারবিয়াত শুরু করেন। বিশেষ করে আরবীসাহিত্যে হযরত শিবলী নুমানীর তত্ত্বাবধান খুবই ফলপ্রসূ হয়। সাইয়্যেদ সুলাইমান আরবীতে এতটাই উন্নতি করেছিলেন যে, খােদ আরবরাও তাঁর আরবী শুনে মুগ্ধ হতাে। তা ছাড়া হাদীস, তাফসীর, রিজাল, তারীখ, মানতিক, ফালসাফা, নাহু, সরফ-সহ জ্ঞানের সকল শাখায় তার ব্যুৎপত্তি ছিল অসাধারণ।

সীরাতে আয়েশা pdf download. জ্ঞানের জগতে তার যােগ্যতা এমন পর্যায়ে পৌছেছিল যে, ১৯০৭ সালে তিনি নদওয়াতুল উলামার মুখপত্র আন নাদওয়াহ-এর সহকারী সম্পাদক হন, যার প্রধান সম্পাদক ছিলেন হযরত শিবলী নুমানী রহ. নিজে। ফেব্রুয়ারি ১৯১১ পর্যন্ত তিনি এ গুরুদায়িত্ব আঞ্জাম দেন। আবার ১৯০৮ সালে নদওয়ারই আরবী ও ফারসীর শিক্ষক নিযুক্ত হন সাইয়্যেদ সুলাইমান।

জ্ঞানচর্চা ও লেখালেখির জগতে সাইয়্যেদ সুলাইমানের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সাপ্তাহিক আল হেলাল ছিল ভারতবর্ষের পত্রিকাজগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইসলামী জাহানের অদ্বিতীয় নাম। মাওলানা আবুল কালাম সাইয়্যেদ সুলাইমানকে আল হেলাল-এ কাজ করার আহবান জানান।

মে ১৯১৩ সাইয়্যেদ সাহেব কলকাতা আসেন এবং আল হেলাল-এর সম্পাদনাবিভাগে কাজ শুরু করেন। কিন্তু বেশি দিন সেখানে থাকেননি।

ডিসেম্বর ১৯১৩ পর্যন্ত মাত্র সাত মাস দায়িত্ব পালন করে ইস্তফা দেন। এসময় তিনি মাওলানা আজাদের লিখনশৈলী রপ্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।

শাহ সুলাইমান আরেকবার লক্ষ্ণৌ আসেন। কিছুকাল পর পুনায় চলে যান। ১৯১৪ সালে পুনার দাক্ষিণাত্য কলেজে সহকারী প্রভাষক নিযুক্ত হন। ১৯১৫ পর্যন্ত মাত্র এক বছর এ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৮ নভেম্বর ১৯১৪ ছিল মাওলানা শিবলী নুমানী রহ.-এর জীবনের অন্তিম দিন। ইতিপূর্বে তিনি সীরাতুন-নবী-এর দুই খণ্ড সমাপ্ত করেছিলেন। তার প্রবল ইচ্ছা ছিল—অবশিষ্ট খণ্ডগুলােও সম্পূর্ণ হােক; কিন্তু মৃত্যু সন্নিকটে জেনে উদ্বিগ্ন ছিলেন। হঠাৎ সৌভাগ্যক্রমে সাইয়্যেদ সুলাইমান তাশরিফ আনেন। তখন মৃত্যুশয্যায় শায়িত হযরত শিবলী নুমানী এই শাগরেদকে সীরাতুন-নবী পূর্ণ করার নির্দেশ দেন। 

সৌভাগ্যবান শাগরেদ উস্তাযের অন্তিম ইচ্ছা পূর্ণ করার সংকল্প করেন। তাই পুনার দাক্ষিণাত্য কলেজ ছেড়ে ১৯১৫ সালে আজমগড় চলে আসেন।সীরাতে আয়েশা pdf download. 

আজমগড়ই জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তিনি দারুল মুসান্নিফীন’ নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠা করেন। এখান থেকেইজুলাই ১৯১৬-মাসিকপত্র মাআরিফ-এর অগ্রযাত্রা শুরু হয়।

১৯৪৬ পর্যন্ত তিনি এ গুরুদায়িত্ব আঞ্জাম দেন। জুন ১৯৪৬ ভুপালের বিচারক ও জামিআর আমীর নিযুক্ত হওয়ায় ভুপাল চলে আসেন। মাআরিফ-এর দায়িত্ব অর্পিত হয় মাওলানা মুঈনুদ্দীন নদভীর ওপর। মাআরিফ-এর মানদণ্ড সবসময়ই উন্নত ছিল এবং এখনাে—আল্লাহর অনুগ্রহে—সমান উন্নত। বিগত কয়েক বছর ধরে এর সম্পাদনার দায়িত্বে আছেন মাওলানা জিয়াউদ্দীন ইসলাহি।

সাইয়্যেদ সুলাইমান ছাত্র-জমানা থেকেই লেখালেখির প্রতি আসক্ত ছিলেন। তাঁর প্রথম দিকের লেখাগুলাে ‘ওয়াক শিরােনামে ১৯০৩ সালে মাখযান-এ ছাপা হয়। মাখন ছিল শাইখ আবদুল কাদির কর্তৃক সম্পাদিত, লাহাের থেকে প্রকাশিত, সুধীমহলে সমাদৃত বিখ্যাত সাহিত্য ও গবেষণাপত্র। 

সে যুগে সাইয়্যেদ সুলাইমানের জন্মভূমি ওয়াইসিনায় আঞ্জুমানে ইসলাহ নামে একটি সংস্থা ছিল। তিনি ওই সংস্থার বার্ষিক সেমিনারে “ইলম ও ইসলাম’ শীর্ষক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। এটি সুধীমহলে ব্যাপক সাড়া জাগায়। লক্ষ্ণৌর উধপঞ্চ ছিল তখনকার প্রসিদ্ধ দৈনিক। সাইয়্যেদ সুলাইমান বিখ্যাত আরব লেখকদের লেখা অনুবাদ করে উধপঞ্চ-এ প্রকাশ করা শুরু করেন।

সাইয়্যেদ সুলাইমানের সমগ্র জীবন জ্ঞানের সাধনায় নিবেদিত ছিল। দারুল মুসান্নিফীন-এর জন্য তিনি নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন। সীরাতে আয়েশা pdf download . প্রবন্ধ-নিবন্ধ ছাড়াও তিনি যে গ্রন্থগুলাে রচনা করেছেন সেগুলােও সীমাহীন গুরুত্বের দাবিদার।

নিম্নে কয়েকটি গ্রন্থের উল্লেখ করা হলাে :

১. সীরাতুন নবী: মাওলানা শিবলী নুমানী রহ. রচিত দুখণ্ড তিনি প্রকাশ করেন এবং অবশিষ্ট চার খণ্ড নিজে রচনা করেন। এটি সাইয়্যেদ সুলাইমানের অনন্যসাধারণ কীর্তি।

২. আরদোল কুরআন: এ গ্রন্থে কুরআনে বর্ণিত স্থানসমূহের ঐতিহাসিক ও ভৌগােলিক অবস্থান নির্দেশ করত সেগুলাের বাসিন্দাদের সম্পর্কে বিশদ আলােচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে রচিত এ গ্রন্থই প্রথম।

৩. হায়াতে মালেক : এটা ইমাম মালিক রহ.-এর জীবনীগ্রন্থ।

৪. আরাবু কি জাহাযরানি : বইটি, যেমন নাম থেকেই অনুমেয়, আরব্য নাবিকদের রােমাঞ্চে ভরা।

৫. সফর আফগানিস্তান।

৬, খৈয়াম।

৭. হায়াতে শিবলী: এ গ্রন্থে তিনি উস্তাদ শিবলী নুমানী রহ, সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন।

৮. সুগাতে জাদিদাহ।

৯. সুতুবাতে মাদ্রাজ: এটি দক্ষিণ ভারতের ইসলামী তালীমি আঞ্জুমানের অনুরােধে—১৯২৫ সালে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে মাদ্রাজে সাইয়্যেদ সুলাইমান রহ. প্রদত্ত আটটি বক্তৃতার অমূল্য সংকলন। এগুলাে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবন ও কর্ম এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে অবলম্বন করে রচিত। প্রতিটি কথা ও বক্তব্য হৃদয় ও অনুভূতিকে ছুঁয়ে যায়।

১০. সীরাতে আয়েশা pdf download. 

রাযি : এবার সীরাতে আয়েশা রাযি. সম্পর্কে কিছু কথা:- 

এটি সাইয়্যেদ সুলাইমান রহ. কর্তৃক নবী-পরিবারের এক অসামান্য খেদমত। তিনি এর সূচনা করেন ছাত্রজীবনের শেষ বছরে, এপ্রিল ১৯০৬, যখন তিনি ছিলেন আন নাদওয়াহ-এর সহকারী সম্পাদক সম্মানিত উস্তায মাওলানা শিবলী নুমানী রহ.-এর উৎসাহ ও পরামর্শে। এপ্রিল ১৯০৮ সীরাতে আয়েশা রাযি.-এর কিছু অংশ আন নাদওয়ায় ছাপা হয়। সীরাতে আয়েশা pdf download. 

সীরাতে আয়েশা pdf download link!

কিন্তু অন্যান্য কাজের গুরুত্ব বিবেচনায় সীরাতে আয়েশা রাযি.-এর কাজে বিরতি পড়ে। অনেকদিন পর হলেও ১৯২০ সালে এটি সমাপ্ত হয় এবং প্রথমবারের মতাে আলাের মুখ দেখে। পরে পুনর্মুদ্রণ হয়; কিন্তু অনিবার্য সম্পাদনা ছাড়াই। অবশ্য তৃতীয় মুদ্রণের সময় প্রয়ােজনীয় সংশােধনীসহ বিশেষ কিছু বিষয়ের সংযােজনও করা হয়। পরিশেষে ইমাম সুয়ূতি রহ.-এর অনবদ্য রিসালা আইনুল ইসাবাহও অন্তর্ভুক্ত হয় বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে।

তাই আর দেরী না করে সীরাতে আয়েশা pdf download বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করু৷।    

Size:- 12MB.  

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...