islamic books

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download free

নাম:-  সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download

লেখক:- হেনরি ফোর্ড।  

প্রকাশনী :- 

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download বইয়ের প্রথম অংশ:- ভূমিকা |

১৯১৪ সালের গ্রীষ্মকাল। ইউরােপজুড়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের হাওয়া বইতে শুরু করে। ২৮ জুন, ১৯১৪, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী Archduke Franz Ferdinand সাইবেরিয়ান আততায়ীর হাতে নিহত হলে পূর্ব ইউরােপের দেশগুলােতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।  সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link!

এরপর হাঙ্গেরি যখন সাইবেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘােষণা করে, তখন ইউরােপ দুই ভাগ হয়ে যায়। একপক্ষ জার্মানি-হাঙ্গেরি-অস্ট্রিয়া-অটোমানদের কেন্দ্রীয় শক্তি এবং অপর পক্ষ রাশিয়া-ব্রিটেন-ফ্রান্স-সাইবেরিয়ানদের মিত্রশক্তি। তখন জার্মানদের দাপটে মিত্রশক্তির খাবি খাওয়া অবস্থা।

তারা যে প্রযুক্তির সাবমেরিন নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে আসে, তা ছিল সেই যুগের বিস্ময় ব্রিটিশ নৌ-বাহিনীকে তারা তুড়ি মেরে গুঁড়িয়ে দেয়। অপরদিকে, অভ্যন্তরীণ সেনা বিদ্রোহের আশঙ্কায় ফ্রান্স তখন নিজেকে সামলাতে ব্যস্ত। একই সময় রাশিয়ার আকাশে জমতে শুরু করে বলশেভিক বিপ্লবের কালাে মেঘ। 

এমনিতেই জার সম্রাট কেন্দ্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এমন সব তরুণদের পাঠিয়েছিলেন, যাদের ছিল না কোনাে সামরিক প্রশিক্ষণ। ফলে বস্তাপঁচা লাশ হয়ে দেশে ফিরে আসে তারা। শুরু থেকেই মিত্রশক্তির ছিল তাল-মাতাল অবস্থা। সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link!

অপরদিকে, ১৯১৬ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত জার্মানির অভ্যন্তরে একটি গুলি পর্যন্ত ফোটেনি। তারা যেন হেসে-খেলে যুদ্ধে জিতে যাচ্ছিল। ব্রিটেনকে শান্তি আলােচনায় আসার প্রস্তাব দেয় তারা। ব্রিটেনও ভাবছিল, একা একা এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কোনাে অর্থ হয় না। কারণ, তখন তার মিত্রশক্তিরা নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ সামলাতে ব্যস্ত।

ব্রিটেন শান্তি আলােচনায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। কিন্তু জার্মান জায়ােনিস্টরা ব্রিটেনের সামরিক বাহিনীকে আশ্বস্ত করে, তারা চাইলে এখনও যুদ্ধে বিজয় লাভ করা সম্ভব। শান্তিচুক্তিতে যাওয়ার কোনাে প্রয়ােজন নেই।

তারা আমেরিকাকে এই যুদ্ধে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে, তবে এর বিনিময়ে তাদের হাতে প্যালেস্টাইনের চাবি তুলে দিতে হবে। কোনাে উপায় না দেখে ব্রিটেন এই শর্তে রাজি হয়ে যায়। এরপর আমেরিকা তাদের রণতরি নিয়ে এগােতে শুরু করে। যুদ্ধের মােড় এখানেই পালটে যায়। পরবর্তী ছয় মাসের মাথায় কেন্দ্রীয় শক্তি পরাজিত হয়। সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link !

সাধারণ আমেরিকানদের মনে জার্মানবিরােধী চেতনা জাগিয়ে তুলতে সেখানকার ইহুদি মালিকানাধীন পত্রিকাগুলাে একের পর এক মিথ্যা সংবাদ প্রচার শুরু করে। যেমন : জার্মানি একটি সন্ত্রাসী দেশ, তারা হান দস্যু, তারা রেডক্রসের নার্সদের বুকে গুলি ছােড়ে, নাবালক শিশুদের হত্যা করে ইত্যাদি ইত্যাদি। মুহূর্তে যেন আমেরিকার সাধারণ জনগণ জার্মানদের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে। যুদ্ধ শেষে শুরু হয় নতুন প্রচারণা। 

যেমন : জার্মানিতে ইহুদিরা মানবেতর জীবনযাপন করছে, সেখানে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে, তাদের ওপর সাধারণ মানুষ যুদ্ধের ঝাল মেটাচ্ছে, তারা আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলাের সহায্যের আশায় বসে আছে এবং সবাই যেন তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। 

এ নিয়ে ১৯১৯ সালে প্যারিসে শান্তি আলােচনার আয়ােজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিল ১১৭ জন ইহুদি প্রতিনিধি, যাদের অনেকে ছিল জার্মান নাগরিক। আলােচনার এক পর্যায়ে তারা ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্যালেস্টাইন দাবি করে। জার্মান সম্রাট তখন মাথায় হাত দিয়ে বলেন- “এই কি ছিল যুদ্ধের কারণ?’ তিনি বুঝতে পারলেন, রাশিয়া হতে বিতাড়িত একদল বিশ্বাসঘাতককে নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছিলেন। এর কিছুদিন পর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্রিটেনের নিকট হতে আসে বেলফোর ঘােষণা।

… A Jewish Defector Warns America (1961) Benjamin Freedman ইহুদিরা পৃথিবীর প্রাচীন একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়। তাদের রয়েছে প্রায় তিন হাজার বছরের ইতিহাস। তবে এই ইতিহাস যতটা না ধর্মকেন্দ্রিক, তার চেয়ে বেশি জাত ও বংশকেন্দ্রিক। জনসংখ্যায় অতি নগণ্য হয়েও আধিপত্য ও সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের দিক থেকে তারা কোনাে অংশে পিছিয়ে নেই। 

তাদের প্রসঙ্গ সামনে এলেই যেন বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়। এর পেছনে রয়েছে ঐতিহাসিক নানা দ্বৈরথ, গত কয়েকশাে বছরের অসংখ্য ষড়যন্ত্র এবং প্যালেস্টাইনের ওপর চলমান নির্যাতন। যারা ছিল একসময়কার সবচেয়ে নিপীড়িত জাতি, তারাই আজ পৌঁছে গেছে।

নিপীড়কের নেতৃত্বে। সেই ফরাসি বিপ্লবের সময় থেকে তাদের যে উত্থান শুরু হয়েছে, তার ধারা আজও অব্যাহত রয়েছে। যে ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মতাে দেশগুলাে একসময় ইহুদিদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দিত, তারাই আজ তাদের অধিকার ও নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করছে। কিন্তু তাদের এই উত্থান কীভাবে ঘটল? কীভাবে তারা আজকের ক্ষমতাধর জাতিতে পরিণত হলাে? কোন সে অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তারা শাসন করে যাচ্ছে পুরাে বিশ্বকে? সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link !

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পরে দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের উন্মাদনা। নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়ায় শিল্প-কারখানগুলাের চিত্র পালটে যেতে শুরু করে। পরিবর্তনের হাওয়ায় বদলে যায় বিশ্ব অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনপ্রবাহ। সে সময় পৃথিবী লক্ষ করে নতুন এক শক্তির আবির্ভাব- ‘জায়গানিজম। বলে রাখা ভালাে জায়ােনিজম পৃথিবীর বহু প্রাচীন একটি মতবাদ। 

তবে জেরুজালেম পুনরুদ্ধারের স্বপ্নে ১৮৯৭ সালে Theodor Herzl ও Max Nordau-এর হাত ধরে এই মতবাদটি একটি সাংগঠনিক রূপ পায়; ‘World Zionist Organization’। নিজেদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হাসিলে কীভাবে তারা বিশ্বজুড়ে অসংখ্য ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করেছে, তা অল্প কথায় এই অংশে কখনাে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।

ইহুদিরাই তাে পুঁজিবাদ এবং আধুনিক ব্যাংকিং শিল্পের জন্মদাতা। সুদভিত্তিক অর্থবাণিজ্যকে কাজে লাগিয়ে তারা সুকৌশলে কেড়ে নিয়েছে জ্যান্টাইল সমাজের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। শেয়ারবাজারগুলােতে তাদের সংঘবদ্ধ দৌরাত্ম কত বিনিয়ােগকারীকে যে পথের ফকির বানিয়েছে, তার কোনাে হিসাব নেই। বিশ্ব শ্রমবাজার তাদের কন্টকময় থাবায় জর্জরিত। 

লােহা, ইস্পাত, তামা, কপার, নিকেল ও স্বর্ণ-রৌপের খনিগুলাে নিজেদের কবজায় নিয়ে কাঁচামাল শিল্পের ওপর চূড়ান্ত আধিপত্য সৃষ্টি করেছে। জনমত নিয়ন্ত্রণে চারদিকে গড়ে তুলেছে অসংখ্য পত্রিকা প্রতিষ্ঠান। চারদিকে বিপ্লব, আন্দোলন এবং বিভাজনের বীজ ছড়িয়ে দিতে সুকৌশলে মানুষের মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে ভয়ংকর সব মতবাদ। 

চলচ্চিত্র ও শিল্পকলায় অশ্লীলতার সংযােজন ঘটিয়ে যুব সমাজের নৈতিকতাবােধ ধ্বংস করে ফেলেছে। সেইসঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় ঢুকিয়ে দিয়েছে নাস্তিকতার বীজ।

হেনরি ফোর্ড ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ধনী ব্যবসায়ী; ফোর্ড মােটর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা। শিল্প বিল্পবের সেই সময়টিতে অন্যদের মতাে তিনিও উপলব্ধি করেছিলেনঅদৃশ্য সেই শক্তি তার প্রতিষ্ঠানেও থাবা বসাতে চাইছে। 

কিছু করতে না পারলে তার ভাগ্যেও অন্যদের মতাে দেউলিয়ার থালা ঝুলবে। ব্যবসায় কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকাও পরিচালনা করতেন, যার নাম ছিল- The Dearborn Independent তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন, এই অদৃশ্য শক্তির মুখােশ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মােচন করেই ছাড়বেন। সে সময় একজন আমেরিকান হয়ে ইহুদিদের বিরুদ্ধে মুখ খােলা যেনতেন কাজ ছিল না। সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download বইটি পড়লেই এর কারণও জানতে পারবেন।

১৯২০ সাল থেকে তিনি ইহুদিদের যাবতীয় ষড়যন্ত্রের ওপর একের পর এক তথ্যপূর্ণ আর্টিকেল প্রকাশ করা শুরু করেন। এর ফলে তার পত্রিকার জনপ্রিয়তা খুব দ্রুতই ইউরােপ-আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পরে। সর্বত্র এটি সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download নিয়মিত পঠিত হতে শুরু করে। ১৯২২ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হওয়া সেরা ৮০টি আর্টিক্যাল নিয়ে তিনি একটি বই প্রকাশ করেন- The International Jews ।

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download সূচিপত্র :-

ইহুদি ইতিহাস ইহুদি বিতর্ক : সত্য না কল্পকাহিনি।

আন্তর্জাতিক ইহুদি ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব ৪৬

প্রকাশনা শিল্পে ইহুদিদের ষড়যন্ত্র ৭৮

বলশেভিক বিপ্লব এবং ইহুদি ষড়যন্ত্র ৮৮ -১১২

জাতিতাত্ত্বিক পরিচয় : ইহুদি জালিয়াতি

শিল্প সংস্কৃতি : ইহুদি ছােবল অর্থ : ইহুদি ক্ষমতার মূল উৎস ১৩২ -১৭৫

জায়ােনিস্টরাই কি আমাগেডনের জন্ম দেবে ১৮৯

দাঙ্গাবাজ ইহুদিদের অপকর্ম চিত্র ২০০

আমেরিকার অর্থব্যবস্থায় ইহুদি দৌরাত্ম ইহুদি ঔদ্ধত্যপনা ইহুদি সমাজে ঘেটো ব্যবস্থা ২৬২

জ্যান্টাইলদের প্রতি ইহুদি দৃষ্টিভঙ্গি ২৮৫

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download ইহুদি ইতিহাস :-

ইহুদিদের আবির্ভাব মানব ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাদের নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল কোনাে যুগেই কম ছিল না। আজকের আধুনিক বিশ্ব যেসব খুঁটির (অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি) ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে, তার প্রতিটির পেছনেই রয়েছে ইহুদিদের অদৃশ্য আধিপত্য। জেরুজালেম থেকে নির্বাসিত হয়ে এক টুকরাে নিরাপদ ভূমির খোঁজে তারা পৃথিবীর নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছে যাযাবরের মতাে।  সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link !

পেরিয়ে গেছে প্রায় ২০০০ বছর। নির্যাতন-নিপীড়ন এখন তাদের জন্য নতুন কোনাে অভিজ্ঞতা নয়। এ নির্যাতন ভােগের পেছনে তাদের প্রতি যে অন্যান্য সম্প্রদায়দের অ্যান্টিসেমেটিক মনােভাব ছিল, তা বলা যায় না। কারণ, নিজেদের স্বার্থ ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা আজ পর্যন্ত যত কৌশল উদ্ভাবন করেছে, তার অধিকাংশই সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধুসুলভ ছিল না। পৃথক জাতীয়তাবাদ নীতি ও অসাধু অর্থনৈতিক কর্মকাত্রে দরুন তারা বারংবার বিতর্কিত জাতিতে পরিণত হয়েছে।

রাশিয়ায় ইহুদিরাই ছিল বলশেভিক বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে তারা জবাই করেছে। লাখাে তাজা প্রাণ। সেই বিপ্লবের যারা খলনায়ক, তারাই আজ আমাদের চোখে মহানায়ক। জার্মান সাম্রাজ্য পতনের পেছনেও তারা সবচেয়ে বড়াে প্রভাবক ছিল। তারা বিষাক্ত অণুজীব হয়ে সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে। এক এক করে দখল করে সেখানকার প্রতিটি শিল্প ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। 

বিশ্বজুড়ে ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে তারা ইংল্যান্ডকে বানিয়েছে হাতের পুতুল। স্বর্ণ-রৌপ্যের মতাে মহা মূল্যবান সম্পদ চুরি করে নিজেদের প্রাচুর্যতাকে করেছে পাহাড়সম। বিভিন্ন জাতি-গােষ্ঠীকে রক্তক্ষয়ী অন্তঃকোন্দলে জড়িয়ে হাসিল করেছে নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link!

১. অ্যান্টি-সেমেটিক- ইহুদি বিদ্বেষী মনােভাব

২. বলশেভিক বিপ্লব- বিংশ শতাব্দীর শুরুতে, ম্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে এই বিপ্লবের সূচনা হয়, যার হাত ধরে কমিউনিস্ট সােভিয়েতের জন্ম হয়। 

প্রবীণ ও তরুণ ইহুদিরা নিজেদের প্রাচুর্যতা ও উচ্চাভিলাসী মনােভাব কাজে লাগিয়ে আমেরিকাকে একটি যুদ্ধবাজ দেশে পরিণত করেছে, যা আজ তাদের বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য হাসিলের সবচেয়ে বড়াে হাতিয়ার। যেকোনাে সরকারের শাসনামলে তাদের জন্য একটি সুবিধাজনক পদ বিশেষভাবে বরাদ্দ রাখা হয়। হােয়াইট হাউসেও রয়েছে তাদের অবাধ প্রবেশাধিকার। আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে বিষাক্ত মতবাদ ঢুকিয়ে দিতে ইহুদি রাবাইদের যেন পরিশ্রমের শেষ নেই। তারা বলে- ‘আশীর্বাদ চাইলে ইজরাইল যাও।

কারণ, আমরাই সৃষ্টিকর্তার একমাত্র মনােনীত সম্প্রদায়। জনসংখ্যায় এত অল্প হয়েও তারা যেভাবে নিজেদের ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তার করেছে, তা ইতঃপূর্বে অন্য কোনাে জাতি পারেনি। পুরােনাে ছেড়া কাপড় সংগ্রহ করে তা বিক্রি করা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির সবকিছু আজ তারা এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। শিল্প-প্রতিষ্ঠানের অধিক পরিশ্রমী পদে কাজ করার ব্যাপারে তাদের রয়েছে তীব্র অনীহা।

উৎপাদন ও যন্ত্রপাতি পরিচালনার মতাে ঝুঁকিপূর্ণপদগুলােতে সাধারণত জ্যান্টাইলদের ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে সেলসম্যান, ম্যানেজার এবং ক্লার্কের মতাে সহজ পদগুলাে তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। প্রাচীন প্রশিয়ানদের এক সমীক্ষা অনুযায়ী তাদের মােট জনসংখ্যা ছিল ২৬৯৪০০ জন। 

এর মাত্র ছয় শতাংশ অর্থাৎ, ১৬১৬৪ জন ছিল ইহুদি, যার মধ্যে ১২০০০ জনই ছিল ব্যবসায়ী এবং ৪১৬৪ জন শ্রমিক। অন্যদিকে ৯৬ শতাংশ জ্যান্টাইল অর্থাৎ ২৫৩২৩৬ জনের মধ্যে মাত্র ১৭০০০ জন ব্যবসায়ী।

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download এ বর্তমান প্রেক্ষাপট অবশ্য ইতিহাস থেকে অনেক ভিন্ন। ব্যাবসা-বাণিজ্যের উঁচু পদগুলােতে আজ জ্যান্টাইলদের উপস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তাদের সংখ্যা যে হ্রাস পেয়েছে তা নয়; Jews Encyclopedia অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের বৃহদাকার প্রায় সকল বিপণিবিতান তারাই পরিচালনা করছে। ট্রাস্ট, ব্যাংক, কৃষি ও খনিজ সম্পদের মতাে আরও অনেক শিল্প রয়েছে, যা তাদের কবজাধীন হয়ে পড়েছে। 

প্রতিষ্ঠান এখনও জ্যান্টাইলদের মালিকানায় রয়েছে, তার পেছনেও ইহুদিদের বিনিয়ােগকারী গােষ্ঠী কাজ করছে। প্রকাশনী শিল্পে তারা কতটা ক্ষমতাধর, তা সামনের অধ্যায়গুলােতে আলােচনা করা হবে। থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও সংগীত জগতে তাদের দ্বিতীয় কোনাে প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download link !

জার্মান লেখক Werner Sombart তার বই Jews and Modern Capitalist-এ উল্লেখ করেন৩. রাবাই-ইহুদিদের ধর্মীয় গুরু।

৪. জ্যান্টাইল-পৃথিবীর নন ইহুদি সকল সম্প্রদায়কে জ্যান্টাইল বলা হয়।

৫. প্রুশিয়ান-প্রাচীন এক ইউরােপিয়ান রাষ্ট্র, যা জার্মানিসহ কয়েকটি দেশের সাথে মিশে গেছে। To be continued……..  

বিঃদ্রঃ সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download বইটির লিংক কপিরাইট মুক্ত হলে দেওয়া হবে। তাই সব আপডেট পেতে এখুনি আমাদের সাইট টি সাবস্ক্রাইব করুন আর নিয়মিত ভিজিট করুন।                  

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download বইটির হার্ড কফি ক্রয় করুন:-

Bookshopbd.com | walflife.com

Rokomari.com | Niyamahshop.com

সিক্রেটস অব জায়োনিজম pdf download বইটির রিভিউ দিতে (ক্লিক_করুন)

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...