Ayman Sadiq booksbangla pdf booksbangla programming books

বিদ্যাকৌশল pdf download by Ragib hasan

নাম:– বিদ্যাকৌশল pdf download 

বিদ্যাকৌশল pdf download →লেখক:- রাগিব হাসান। 

পৃষ্ঠা:- ৮১। 

বিদ্যাকৌশল pdf download সাইজ:- ১০ এম্বি৷ 

রাগিব হাসানের বিদ্যাকৌশল pdf download / bidyakoushol bangla pdf বইয়ের প্রথম অংশ:- 

পড়ালেখায় ভালাে করা কি শেখার বিষয়। পড়ালেখায় ভালাে ফল করতে কে না চায়। কিন্তু কেউ কেউ হাজার চেষ্টা করেও ভালাে ফলাফল করতে পারে না, আবার অন্য কেউ অল্প চেষ্টাতেই ভালাে ফল করতে থাকে অনায়াসে

নিজের কিংবা আপনার বন্ধুবান্ধবের কথাই ভাবুন। কেউ ভােরবেলায় উঠে পড়তে থাকে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে, আবার কেউ সারা দিন আড্ডাবাজি করে রাতে অল্প একটু পড়েই একই ফল পায় ।

এর কারণটা কী? এটা কি কেবল মেধ নাহ্, পুরােপুরি শত ভাগ মেধার ফল না ।

অবশ্যই ভালাে করে কিছু শেখা অথবা পরীক্ষায় ফলাফল করার পেছনে মেধার ভূমিকা অনেক। কিন্তু মেধা ছাড়াও অনেক কিছু আছে, যা এ ক্ষেত্রে বিশাল পার্থক্যটা তৈরি করে ভালাে করতে পারা শিক্ষার্থী আর খারাপ ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের মাঝে ।বিদ্যাকৌশল pdf download . 

ভালাে করে শেখা, ভালাে ফলাফল করার রহস্যটা তাহলে কী? একেবারেই কোনাে রহস্য নাই এখানে; বরং এটা হলাে কিছু কায়দা, পড়ার কৌশল, শেখার নিয়ম, মনে রাখার পদ্ধতি। এবং অধ্যবসায়। তার সাথে থাকছে সময় ব্যবস্থাপনা, ফলাফল উপস্থাপন করার কৌশল এবং কোনাে কিছু পড়ে সহজে বােঝা ও আত্মস্থ করার কিছু কায়দা।

যারা এই ব্যাপারটা ধরতে পারে, তারা সহজেই অল্প সময়ে যেকোনাে কিছু বুঝে ফেলে, সেটা শিখতে পারে, পরীক্ষায় লিখতে পারে এবং ভালাে ফল করতে পারে। যারা পারে না, তারা অনর্থক ব্যয় করে ফেলে অনেক সময় ।

এ ব্যাপারটা আসলে জাদুমন্ত্রের মতাে মনে হতে পারে, কিন্তু আসলেই নিয়ম করে, পদ্ধতিগতভাবে শেখা সম্ভব যেকোনাে কিছুই। কেবল জানতে হবে শেখার কায়দাটা।

এই কায়দাটাই বিদ্যাকৌশল pdf download । তথাকথিত ভালাে ছাত্ররা মেধা ছাড়া আর যে কারণে পড়ালেখায় ভালাে করে, তা হলাে এই বিদ্যাকৌশলের কায়দাগুলাে সচেতন বা অবচেতনভাবেই অনুসরণ করে চলা। প্রথম পদক্ষেপ : নিজেকে পরিবর্তন করার প্রতিজ্ঞা আপনি এ বিদ্যাকৌশল pdf download  বইটি পড়ছেন, তার মানে ধরে নিচ্ছি আপনি পড়ালেখায় ভালাে করতে আগ্রহী, জানতে চান, শিখতে চান অনেক ভালাে করে, আর তার সাথে সাথে হয়তাে পরীক্ষাতেও করতে চান ভালাে ফলাফল তার প্রথম ধাপটা কিন্তু খুব সহজ।

আপনাকে দুইটা করতে হবে।

১. আপনাকে দিয়ে হবে না, আপনার মাথায় কিছু নাই, অন্যের চেয়ে আপনার বুদ্ধি মেধা কম, এ কথাগুলাে পুরােপুরি ভুলে যেতে হবে।

২. নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য করতে হবে সুদৃঢ় প্রতিজ্ঞা। আপনি নিজে যদি না চান অথবা নিজের ওপরে আস্থা না রাখেন, তাহলে দুনিয়ার হাজার ভালাে শিক্ষক, সেরা টিউটোরিয়াল, নম্বর ওয়ান স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি এরা কেউই আপনার পড়ালেখার কিছুই পাল্টে দিতে পারবে না

তাই বিদ্যাকৌশল pdf download প্রথম ধাপ হিসেবে এই কাজটা করুন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ওপরের দুটি প্রতিজ্ঞা করুন- বলুন, ‘আমি অন্য কারও চেয়ে কম নই’ এবং ‘আমি আমার পড়ালেখার অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েই দেখাব।’

ব্যস, প্রথম পদক্ষেপটি নিয়ে ফেলেছেন। হাজার মাইলের পদযাত্রার শুরুটা কিন্তু একটি পদক্ষেপ দিয়েই (A journey of a thousand miles, begins with a single step)। সেরকম পড়ালেখায় ভালাে করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলাে এই প্রথম ধাপটি।

নিজের ওপরে বিশ্বাস আনুন, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হােন। আপনাকে ঠেকাবে, এমন সাধ্য কি কারও আছে? 

পড়ার মােটিভেশন :-

পড়ে কী হবে?

পড়ালেখায় ভালাে করার জন্য সবার আগে আপনার মােটিভেশনটা আনতে হবে, নিজের মনে ঢােকাতে হবে পড়ে কী হবে সেই প্রশ্নের উত্তর।

আপনি কি কেবল ক্লাসে ভালাে করা, সার্টিফিকেটের জন্য পড়েন? কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা সত্যি বটে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পড়ার উদ্দেশ্য হলাে কেবল কাগুজে সার্টিফিকেট নয়; বরং নিজের মনেরই উন্নতি ঘটানাে, নিজের চিন্তার দিগন্তকে প্রসারিত করা।

সবকিছুতে ভালাে লাগবে না, এটা স্বাভাবিক : পড়তে ভালাে লাগে না, অনেক শিক্ষার্থীরই এই অভিযােগ। জীবনের সবকিছু কিন্তু ভালাে লাগার জন্যই আমরা করি না; বরং করি দরকার আছে বলে । এবং সে জন্যই পেশাগত জীবনে মানুষ ভালাে না লাগলেও অফিসে যায়। কারণ না গেলে চাকরি নিয়ে টানাটানি হবে। পড়া ভালাে না লাগলেও আপনার উদ্দেশ্য যেটা, পরীক্ষায় পাস কিংবা কোনাে বিষয়ে ভালাে করে জানা, তার জন্য।

আপনাকে পড়তে হবেই, এটা মাথায় ঢুকিয়ে নিন। কেন পড়তে বসবেন এক্ষুনি? কারণ সময়ের কাজ সময়ে করে আপনি পড়াটাকে এগিয়ে রাখতে পারবেন, না করলে পরীক্ষার আগে বিশাল সিলেবাস নিয়ে খাবি খেতে হবে, সমস্যা আরও বাড়বে। কাজেই নিজের স্বার্থেই এখনই পড়তে বসুন।

পড়ার মােটিভেশন বাড়াবেন কী করে?

পড়ার মােটিভেশনের গুরুত্ব না হয় বুঝলেন, কিন্তু কী করে পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াবেন, পড়ার প্রতি মনকে আকৃষ্ট করবেন?

কয়েকটা কায়দায় এটা করতে পারেন:- 

১. আপনি কেন পড়ছেন তা লিখে ফেলুন : হতে পারে, আপনাকে পড়তে হবে পরীক্ষায় পাসের জন্য, অথবা কিছু শেখার জন্য। কেন পড়ছেন, সেটা শুরুতেই লিখে ফেলুন কাগজে-কলমে । আপনার আসল লক্ষ্যটা কী? স্পষ্ট ভাষায় লিখে ফেলুন, আপনি আসলে কিসের জন্য পড়ছেন।

উদাহরণ— ‘আমার লক্ষ্য হলাে পরীক্ষায় পাস করা। আমার লক্ষ্য হলাে পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া’। ‘আমার লক্ষ্য হলাে অমুক বিশ্ববিদ্যালয়ের তমুক বিভাগে ভর্তি হওয়া। আমার লক্ষ্য হলাে সি প্রােগ্রামার হওয়া।

‘আমার লক্ষ্য হলাে ব্যবস্থাপনা বা ম্যানেজমেন্টের ওপরে দক্ষ হওয়া। লক্ষ্য স্বল্পমেয়াদ ও দীর্ঘমেয়াদে কী, দুইটাই লিখে ফেলুন। লক্ষ্য যা-ই হােক, কাগজে-কলমে সেটা লিখে ফেললে চোখের সামনে সেটা আসে, আর বারবার সেই লক্ষ্যের দিকে তাকালে পড়ার জন্য মােটিভেশন পাবেন।

আর আসলে কী আপনার লক্ষ্য, তা সুস্পষ্টভাবে লেখার কাজটা করতে গেলে আপনার নিজেরও ধারণাটা পরিষ্কার হবে।

২. নিজেকে পুরস্কার দেওয়ার অভ্যাস করুন : মুলা থিওরি কেবল গাধার জন্য না, মানুষের ওপরেও খাটে। পড়াশােনা ঠিকমতাে করে করতে পারলে আপনি নিজেকে নিজেই কী পুরস্কার দেবেন, সেটা ঠিক করে রাখেন। এর পর সেই পুরস্কারের লােভে পড়ে হলেও আপনার মনে পড়াশােনা করার জন্য কিছুটা মােটিভেশন আসবে।

৩. সমুদ্র নয়, জলকণা : পড়াকে বিশাল সমুদ্র মনে না করে ছােট ছােট জলকণার সমাহার হিসেবে দেখুন । সিলেবাস খুবই বড় মনে হলে সেটাকে ছােট ছােট ভাগে ভাগ করে নিন। তার পর প্রথম ভাগটা পড়া শুরু করে দিন । দরকার হলে ঠিক করুন, একবারে একদিন পড়বেন তা না; বরং ১৫ মিনিটে যা পড়তে পারবেন, সেরকম করে ছােট ছােট ভাগ করে নিন।

সবশেষে এটাই বলব, চোখ বন্ধ করে একবার স্বপ্ন দেখুন, আপনার লক্ষ্যটি ভালােভাবে অর্জন করতে পারার পরে আপনার মনে কী অনুভূতি হচ্ছে। হতে পারে, পরীক্ষায় পাস করেছেন, অথবা জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন কিংবা কোনাে একটি জটিল বিষয় ভালাে করে রপ্ত করেছেন। সেটা করার পরে যে অনুভূতিটা হবে, আগাম সেটা কল্পনা করুন, আর সেই সুখানুভূতির জন্য হলেও পড়ার মােটিভেশন খুঁজে নিন।

বিদ্যাকৌশল pdf download ভালাে ছাত্র হবার পরিকল্পনা:- 

শুরুতেই একটা ব্যাপার খােলাসা করে রাখি। এই বইয়ের কৌশলগুলাে কিন্তু কেবল ‘উচ্চ নম্বরের সিড়ি’ নয়; বরং এর লক্ষ্য হলাে ভালাে করে যেকোনাে কিছু শেখার কৌশল এবং পরবর্তী সময়ে তা যাচাইমূলক যেকোনাে কিছুতে সাফল্যের কিছু পরামর্শ সবার কাছে তুলে ধরা। পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেলেই কেউ ভালাে ছাত্র হয় না; বরং শিক্ষার আসল লক্ষ্য হলাে জানার পরিধিটাকে বাড়ানাে, দক্ষতা ও জ্ঞানের সীমাটা বাড়ানাে।

এ ব্যাপারটা যদি আপনার লক্ষ্য হয়, তাহলে চলুন শুরু করা যাক পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বইয়ের পরবর্তী অনুচ্ছেদগুলােতে আমরা দেখব, কী করে ধাপে ধাপে ভালাে ছাত্রছাত্রী হওয়া সম্ভব। বিদ্যাকৌশল pdf download এই পুরাে প্রক্রিয়াটাকে আমরা ভাগ করব নিচের কয়টি ধাপে।

১. আত্মবিশ্লেষণ : আপনার নিজের অবস্থাটা কী? সেটা জানা ও বােঝা। এই ধাপে নিজের পড়াশােনার অবস্থাটা কী এবং আপনি কী চান, সেটা ঠিকমতাে বুঝতে হবে । নিজের অবস্থা বােঝার পরে কেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আপনি পাচ্ছেন না, তা বুঝতে হবে। আপনার কি পড়ায় মন বসে না? নাকি পড়েও বুঝতে পারেন না? নাকি বুঝলেও মনে থাকে না? অথবা মনে থাকলেও পরে অন্যকে বােঝানাে বা পরীক্ষায় লিখতে পারেন না?

নিজেকে জানার পরেই কেবল আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার কোন দিকে দিতে হবে মনােযােগ।

২. প্রস্তুতি : এই পর্বে আপনার সবকিছু গুছিয়ে নিতে হবে। পড়ার কায়দা, পড়ার বিষয়বস্তু গুছিয়ে নেওয়া এবং কার্যকর পরিকল্পনা করার অভ্যাস গড়ে নিতে হবে।

আর দেরী না করে বিদ্যাকৌশল pdf download বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করুন। 

Size:- 10 MB. 

বিদ্যাকৌশল pdf download বইটির হার্ড কফি ক্রয় করুন :-     

বইয়ের রিভিউ দিতে (ক্লিক_করুন)        

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...