bangla pdf books

বিজনেস স্কুল pdf book free download

বিজনেস স্কুল pdf download  

নাম:- বিজনেস স্কুল pdf। 

লেখক বিজনেস স্কুল pdf বইয়ের:- রবার্ট কিয়োসকি। 

পৃষ্ঠা:- ১১৯। 

সাইজ:- ২০এম্বি।  

বিজনেস স্কুল pdf বইয়ের প্রথম কিছু অংশ:-

নেটওয়ার্ক-১

বিজনেস স্কুল pdf :- এই ব্যবসার পরামর্শ দিচ্ছেন কেন?

প্রায়ই আমাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি নিজে নেটওয়ার্ক মাকেটিং ব্যবসার সাহায্যে ধনী হননি, অন্যদের এই ব্যবসা করতে বলছেন কেন?’ নানা কারণে আমি এই ইণ্ডাস্ট্রিতে যােগদানের পরামর্শ দিই, এই বিজনেস স্কুল pdf  পুস্তিকায় সেই কারণগুলির বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

আমার বদ্ধমূল ধারণা সত্তর দশকের মাঝামাঝি সময়ে এক বন্ধু আমায় এক নতুন ব্যবসার প্রেসেন্টেশন অর্থাৎ প্রস্তুতিতে আমন্ত্রণ জানায়। যেহেতু আমি নিয়মিতভাবে ব্যবসা ও বিনিয়ােগের সুযােগ সম্বন্ধে গবেষণা করছিলাম, তাই আমি এই মিটিং-এ যেতে রাজি হয়ে গেলাম। আমার আশ্চর্য লেগেছিল, এই বিজনেস স্কুল pdf /ব্যবসায়িক মিটিংয়ের আয়ােজন কোনাে অফিসে না হয়ে একজনের বাড়িতে করা হয়েছিল, তা সত্ত্বেও আমি সেখানে যাই। ঐ মিটিং ছিল নেটওয়ার্ক মার্কেটিং জগতের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়।

তিন-ঘণ্টাব্যাপী প্রেজেন্টেশন শেষ করে বেরিয়ে আসার পর আমার বন্ধু ঐ ব্যবসার সুযােগ-সুবিধা সম্বন্ধে আমার কি ধারণা তা জিজ্ঞাসা করেন। আমি উত্তর দিই, ‘রােমাঞ্চকর, তবে আমার জন্য নয়।

আমি কেন আগ্রহী না, বন্ধু আমাকে এই প্রশ্ন করায় উত্তর দিয়েছিলাম, ইতিমধ্যে আমি নিজের ব্যবসা গড়ে তুলছি। আমার অন্য কারুর সঙ্গে ব্যবসা করার দরকার কি?

বিজনেস স্কুল pdf download:-  তারপর বললাম, ‘তাছাড়া, শুনেছি বিজনেস স্কুল pdf/নেটওয়ার্ক ব্যবসাগুলি শুধুই পিরামিড প্রকল্প এবং বেআইনী। বন্ধু আর কিছু বলার আগেই আমি হাঁটতে শুরু করি ও গাড়িতে চড়ে সেখান থেকে রওনা হয়ে যাই। আমার কয়েকটি বদ্ধমূল ধারণা ছিল, অন্য কিছু শােনার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। বহু বছর বাদে আমার ঐ ধারণাগুলি বদলায় যখন আমি শুনতে রাজি বিজনেস স্কুল অপরকে যারা সাহায্য করতে চান তাদের জন্য হই, এই ইণ্ডাস্ট্রির ব্যাপারে নিজের ধারণাগুলি বদলাতে রাজি হই।

আমার জীবনের সেই সময়টায়, সত্তর দশকের মাঝামাঝি আমি আমার প্রথম আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করছিলাম। তাই দিনের বেলার চাকরি বজায় রেখে বাকি সময়টায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করায় খুব ব্যস্ত ছিলাম। আমার ব্যবসা ছিল উৎপাদন ও বিপণনের, যা কেন্দ্রীভূত ছিল প্রথম নাইলন ও ভেলক্রোর সাফার ওয়ালেট বাজারে উপস্থাপিত করায়।

প্রথম নেটওয়ার্ক মার্কেটিং মিটিং-এর কিছুদিনের মধ্যেই আমার স্পাের্টস্ ওয়ালেটের ব্যবসা।হঠাৎ শ্রীবৃদ্ধি করে। ক্রমশ দু’বছরের কঠোর পরিশ্রমের পরিণাম দেখতে পেলাম। আমার বিজনেস স্কুল অপরকে যারা সাহায্য করতে চান তাদের জন্য হই, এই ইণ্ডাস্ট্রির ব্যাপারে নিজের ধারণাগুলি বদলাতে রাজি হই।

আমার জীবনের সেই সময়টায়, সত্তর দশকের মাঝামাঝি আমি আমার প্রথম আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করছিলাম। তাই দিনের বেলার চাকরি বজায় রেখে বাকি সময়টায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করায় খুব ব্যস্ত ছিলাম। আমার ব্যবসা ছিল উৎপাদন ও বিপণনের, যা কেন্দ্রীভূত ছিল প্রথম নাইলন ও ভেলক্রোর সাফার ওয়ালেট বাজারে উপস্থাপিত করায়।

প্রথম নেটওয়ার্ক মার্কেটিং মিটিং-এর কিছুদিনের মধ্যেই আমার স্পাের্টস ওয়ালেটের ব্যবসা হঠাৎ শ্রীবৃদ্ধি করে। ক্রমশ দু’বছরের কঠোর পরিশ্রমের পরিণাম দেখতে পেলাম। আমার দুই অংশীদার এবং আমার ওপর সাফল্য, সুনাম ও সৌভাগ্যের বর্ষণ শুরু হয়। আমাদের লক্ষ্য ছিল ত্রিশ বছর বয়স হওয়ার আগেই আমরা মিলিয়নেয়ার হব, সে স্বপ্ন বাস্তবায়িত হল, তাছাড়া সত্তর দশকে এক মিলিয়নের অনেক মূল্য ছিল। সাফার, রাণার্স ওয়ার্ল্ড এবং জেন্টলম্যানস্ কোয়ার্টারলির মত পত্রিকায় আমার কোম্পানি ও পণ্যগুলির বিষয়ে উল্লেখ করা হচ্ছিল। 

খেলাধুলার সরঞ্জামের জগতে আমরা ছিলাম লােভনীয় নতুন পণ্যসম্ভার এবং পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে ব্যবসা উপচে পড়ছিল। আমার প্রথম আন্তর্জাতিক ব্যবসা তখন দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আগামী পনেরাে বছরে আমি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ইণ্ডাস্ট্রির কথা চিন্তই করিনি।

মনােভাবে পরিবর্তন:- 

নব্বইয়ের দশকের প্রথমদিকের কথা, আমার এক বন্ধু, যার অর্থ-সংক্রান্ত বােধবুদ্ধি ও ব্যবসায়িক সাফল্যকে আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি, আমাকে জানাল যে সে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং করছে। ভূসম্পত্তিতে বিনিয়ােগ অর্থাৎ রিয়াল এস্টেট ইনভেস্টমেন্টে বিল প্রচুর অর্থ উপার্জন করে বিত্তবান হয়েছে তাই, শুনে অবাক হলাম যে, সে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং করছে।

উৎসুক হয়ে প্রশ্ন করলাম, ‘তুমি এই ব্যবসা করছ কেন? তােমার তাে আর টাকাকড়ির তেমন প্রয়ােজন নেই, তাই না?”

জোরে হেসে বিল জবাব দিল, ‘তুমি তাে জানােই আমি অর্থোপার্জন করতে ভালবাসি, তবে টাকার প্রয়ােজনে আমি এই ব্যবসা করছি না। আমার আর্থিক অবস্থা খুবই সচ্ছল।’

আমি জানতাম গত দু’বছরে বিল এক বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের একটি বাণিজ্যিক ভূ-সম্পত্তি প্রকল্প সম্পূর্ণ করেছে, সুতরাং সে যে সচ্ছল তা ভালােমত জানতাম। তা সত্ত্বেও ওর অস্পষ্ট উত্তরে আমি আরও উৎসুক হয়ে উঠি, আরও প্রশ্ন করি, তাহলে কেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা করছ?

এর নাম – কনজিউমার ডিস্ট্রিবিউশন বিজনেস’, ও উত্তর দেয়। আমরা এখন একে আর নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বলি না।”

অনেকক্ষণ চিন্তা করে বিল তার মন্থর টেক্সস স্টাইলে বলতে শুরু করে, বহু বছর যাবৎ লােকেরা আমার কাছ থেকে রিয়্যাল এস্টেটে ইনভেস্ট করার টিপস চাইছে। এরা সকলেই জানতে চায় রিয়্যাল এস্টেটে বিনিয়ােগ করে কিভাবে বিত্তবান হয়ে ওঠা যায়।

অনেকে আবার জানতে চায় তারা আমার সঙ্গে ইনভেস্ট করতে পারবে কি না, অথবা কোননারকম অর্থ ছাড়াই কিভাবে রিয়্যাল এস্টেট পাওয়া যায়। সম্মতিসূচক মাথা নেড়ে বললাম, আমাকেও এরকম প্রশ্ন করা হয়।

‘সমস্যাটা হল ..’ বিল বলতে থাকে, বেশির ভাগ লােক আমার সঙ্গে ইনভেস্ট করতে পারে না, কারণ এই ইনভেস্টমেন্টের উপযুক্ত হওয়ার মত যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান এদের কাছে নেই। আর টাকাকড়ি ছাড়া ব্যবসার অভিপ্রায়ের অর্থ, এদের কাছে টাকাকড়িই নেই। 

হয় আমার ব্যবসায় যােগ দেওয়ার মত যথেষ্ট অর্থ তাদের কাছে নেই অথবা অর্থ বিনিয়ােগের মত টাকাই নেই তাদের কাছে। “তুমি বলতে চাও তাদের কাছে একেবারেই টাকাকড়ি নেই, যদিওবা থাকে, যাতে তুমি তাদের সাহায্য করতে পারাে তেমন সম্বল তাদের নেই?

মত ধনী তারা নয়। আমি জিজ্ঞাসা করি।

বিল সম্মতি জানায়। তাছাড়া তাদের কাছে সামান্য টাকাকড়ি থাকলেও তা তাদের সারা জীবনের সঞ্চয়, সেই টাকা তারা হারাতে চায় না। আর তুমি ও আমি আমরা দুজনেই জানি, যে হারাতে ভয় পায় সে প্রায়ই হারায়।

বিলের সঙ্গে আরও কয়েক মিনিট কথাবার্তা হয়, তবে সেদিন আমাকে শিগগির এয়ারপাের্টের জন্য রওনা হতে হয়। তখনও আমি নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারছিলাম না ও কেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা করছে, তবে আমার মনের জানালাগুলি ধীরে ধীরে খুলতে আরম্ভ করেছিল। ও কেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা, অথবা ওর ভাষায়, কনজিউমার ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসা করছে, তা জানার ইচ্ছেটা আরও প্রবল হয়ে ওঠে।

পরবর্তী কয়েক মাস যাবৎ বিলের সঙ্গে আমার কথাবার্তা চলতে থাকে। ধীরে ধীরে আমি বুঝতে পারি ওর এই ব্যবসার উদ্দেশ্য কি। ওর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল :

১. সে অন্যদের সাহায্য করতে চায় –

এটাই ছিল তার এই ব্যবসার প্রধান কারণ। ধনী হওয়া সত্ত্বেও সে লােভী বা অহঙ্কারী ছিল না।

২. সে নিজেকে সাহায্য করতে চায় –

‘আমার সঙ্গে ইনভেস্ট করতে হলে তােমাকেও ধনী হয়ে উঠতে হবে। আমি বুঝতে পারি যে যদি আরও বেশি লােকেদের ধনী হয়ে ওঠায় সাহায্য করতে পারি, আমি আরও বেশিসংখ্যক ইনভেস্টার পাবাে। বিল বলতে থাকে, মার ব্যবসায় ইনভেস্টমেন্টের‘বিস্ময়কর ব্যাপারটা হল, আমি যত বেশি লােককে ব্যবসা করা, ধনী হয়ে ওঠায় সাহায্ করব, আমার নিজের ব্যবসাও ততই বৃদ্ধি পাবে আমি আরও ধনী হয়ে উঠব। 

এখন আমার কনজিউমার ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসা আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে, আমার ইনভেস্টার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমার কাছে বিনিয়ােগের জন্য আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি অর্থ আছে। সবদিক দিয়েই আমার জিত হয়েছে। তাই গত কয়েক বছরে আমি আরও বড় বড় রিয়্যাল এস্টেট প্রজেক্টে ইনভেস্ট করতে শুরু করেছি। তুমি তাে জানােই, ছােটখাটো রিয়্যাল এস্টেট ব্যবসা করে সত্যিকার বড়লােক হয়ে ওঠা খুব কঠিন। অসম্ভব নয়, তবে যথেষ্ট অর্থ না থাকলে যে রিয়্যাল এস্টেটের কাজ হাতে পাবে তা ধনীরা চায় না।

৩. সে শিখতে ও শেখাতে ভালবাসে –

“যারা শিখতে আগ্রহী, আমি তাদের সঙ্গে কাজ করতে ভালবাসি। যারা মনে করে সবকিছু জানা হয়ে গিয়েছে এমন লােকেদের সঙ্গে কাজ করতে ক্লান্ত লাগে, তবে রিয়্যাল এস্টেট ইনভেস্টমেন্টের জগতে আমাকে এমন অনেক লােকের সঙ্গে কাজ করতে হয়। যে সব প্রশ্নের উত্তর জেনে বসে আছে তার সঙ্গে কাজ করা কঠিন।

আমার মনে হয়, যারা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং-এ যােগ দেয়, তারা সকলেই। নিত্যনতুন উত্তর খুঁজছে, তারা শেখার জন্য প্রস্তুত। যারা অবিরাম শিক্ষালাভের ব্যাপারে প্রকৃত উৎসাহী, আমি তাদের শেখানাে, তাদের কাছ থেকে শেখা ও তাদের সঙ্গে নতুন।

ধ্যান-ধারণার আদান-প্রদান করা পছন্দ করি। তুমি  আমি যা জানি এই ব্যবসার মাধ্যমে তা অন্যদের শেখানাের সুযােগ পাই, আবার অন্য সকলের সঙ্গে নিজেও ক্রমাগত শেখার সুযােগ পাই। বিভিন্ন পটভূমি থেকে কতরকমের স্মার্ট সুশিক্ষিত মানুষ যে এই ব্যবসা করছে।

শুনলে তুমি অবাক হয়ে যাবে। আবার এখানে এমন লােকও আছে যাদের পুঁথিগত বিদ্যা নেই, যেহেতু এই জগতে চাকরির নিরাপত্তা ক্রমশ স্রিয়মান, নিজেদের আর্থিক নিরাপত্তার প্রয়ােজন মেটানাের জন্য এরা শিখতে চায়, তাই এই ব্যবসায় প্রবেশ করেছে। আমরা এতদিন যাবৎ জীবন থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি এবং এখন যা শিখছি সেসব চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান করি। আমি শেখাতে ভালবাসি, শিখতে ভালবাসি, তাই এই ব্যবসা আমার প্রিয়। এটা একটা দারুণ ব্যবসা। বাস্তবজীবনের এক অভিনব বিজনেস স্কুল।

উন্মুক্ত মন:- 

নব্বইয়ের দশকের প্রথমদিকে এক সময় আমার মনের জানালাও খুলতে শুরু করল, এই ইণ্ডাস্ট্রির ব্যাপারে আমার ধারণা বদলাতে আরম্ভ করল। আমার বন্ধ মন যা দেখতে পায়নি।আজ উন্মুক্ত মন তা দেখতে পেল। এই ইণ্ডাস্ট্রির না-ধর্মী জিনিসগুলির পরিবর্তে হাঁ-ধর্মী বিষয়গুলি আমি দেখতে পেলাম … যদিও এই ইণ্ডাস্ট্রিতে না-ধর্মী দৃষ্টিভঙ্গির অভাব নেই। শ্রী রয়েছে ফিনালে আমি এমহি করেছিলি ললে, আমার অ্যাকাউন্টিং-এর…………. চলবে বিজনেস স্কুল pdf। 

তাই আর দেরী না করে বিজনেস স্কুল pdf  বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করুন। 

রবার্ট টি কিয়োসকির  বিজনেস স্কুল pdf বইটির হার্ড কফি ক্রয় করুন :-

Rokomari.com

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...