bangla programming booksBest pdf books

প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download free

নাম:- প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download

প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download লেখক:- ঝংকার মাহবুব। 

প্রকাশনী:- আদর্শ প্রকাশনী। 

ঝংকার মাহবুব ভাইয়ের প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download  বইয়ের প্রথম কিছু অংশ :-       

থাকলে গলদ, হবি বলদ:- 

এক সদস্যবিশিষ্ট বলদ তদন্ত কমিটির রিপাের্ট থেকে জানা যায় প্রকার। ফাঁকিবাজ বলদ , কনফিউজড বলদ ও চুপা বলদ। এসব বলদ আড়া দেওয়া, ঘুরতে যাওয়া , প্রেম খোঁজা , এমনকি স্যারদের বাঁশ খাওয়ার মতাে কাজগুলাে নিষ্ঠার সাথে পালন করার পরেও পরীক্ষার খাতায় সামান্য কয়েকটা নম্বরের জন্য এদের হাবলু, বলদ বা গাধা হিসেবে সম্বােধন করা হয়।

বেশির ভাগ বলদরা বাইরে চাল্লু ভাব ধরে রাখলেও তাদের ভেতরে থাকে না। পারার ভয়, সামর্থ্য নিয়ে সংশয়, ফাঁকিবাজির আশ্রয়। এরা প্রােগ্রামার হওয়ার স্বপ্ন দেখে, রুটিন বানিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে ছােটখাটো জিনিসে আটকে গেলে হতাশার বড়ি গিলে। কেউ কেউ আবার কয়েক দিন শিখে এক প্রােগ্রামিং

ল্যাঙ্গুয়েজ, কয়েক দিন পর ধরে অন্য আরেক প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তাতে না শিখে প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, না শিখে প্রােগ্রামিং।

তবে সব বলদই সুযােগ পেলে ছুটে যায় চা-দোকানে। আড্ডা দিতে। সে জন্যই চাদোকানের আড়ার ভাষা দিয়ে প্রােগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়েছে এই প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download বইয়ে।

যাতে বলদেরাও পুঁচকে লেভেলের প্রােগ্রামার হিসেবে ফুল টাইম, পার্টটাইম বা ইন্টার্ন-এ অ্যাপ্লাই করার জন্য যে জিনিসগুলা শিখা দরকার সে জিনিসগুলা আড্ডাবাজি করতে করতে শিখে ফেলতে পারে।প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download এ বইয়ে। 

বলদদের বস বানানাের মিশনে আমার আব্লু -আম্মু, রিটা আপু, নিপুণ আপু, ছােট বােন নূপুর আর ছােট ভাই হীরা আমাকে নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখায় মিশন। ছেড়ে পালতে পারিনি। আমার স্ত্রী কারিনা সন্ধ্যা ও ছুটির দিনগু ভাববিনিময়ের সময় সুপার গ্লু দিয়ে বইয়ের পিছনে লেগে থাকায় প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download বই লেখার চেয়ার থেকে উঠতে পারিনি। 

শান্ত , অনিক, দায়ীন, হৃষীকেশ, হিমালয়, আসিফ, ফয়সাল, রাজীব, শাহাদাত ও মহামতি সুবিন ভাই বইয়ের রিভিউয়ের সাথে সাথে চটকনা, ঝাড়ি না দিলে বইয়ের খুঁতগু লা ভূমিকম্পের ফাটলও হয়ে যেতে পারত । তা ছাড়া আমার স্বগােত্রীয় হাবলু , বলদরা কাছে এসে আওয়াজ না দিলে, আমি হয়তাে চুপা বলদ হিসেবেই লেজ গুটিয়ে রাখতাম।

প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download link! 
ঝংকার মাহবুব, হাবলু দ্য গ্রেট ও বলদ কমিটির চেয়ারম্যান www.JhankarMahbub.com

প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download এর প্রথম অংশ:; 

যে কাজের পেছনে মানুষ সবচেয়ে বেশি টাইম স্পেন্ড করে, সেই অনুসারে তার পেশা ঠিক করা হলে, রাশেদের পেশা হবে অলস, ফাঁকিবাজ অথবা আড্ডাবাজ।

অথচ তাকে তার পেশা জিজ্ঞেস করলে সে বলবে স্টুডেন্ট। তবে তার স্টুডেন্টগিরির ময়নাতদন্ত করলে, ক্লাসে কাটানাে সময়ের চেয়ে চা দোকানে কাটানাে সময়ই বেশি পাওয়া যায়। সেটাও আবার লিটন ভাইয়ের চা দোকানে।

প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download এ ডাটা স্ট্রাকচার নিয়ে আলোচনা।

| ডাটা স্ট্রাকচার | array | ডাটা স্ট্রাকচারের উদাহরণ |

প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download এ Data Structure-এর লাল সুতা ঝড়, বৃষ্টি, বাদলে দু-এক দিন সূর্য মিসিং থাকতে পারে কিন্তু রাশেদের আড্ডা মারা মিসিং থাকে না। এসব আড্ডায় সিরিয়াস কোনাে টপিকও থাকে না। যখন যা মনে আসে, তা নিয়েই রাশেদ পকপক করতে থাকে। 

এই যেমন, একটু আগে ঝালমুড়ির ঠোঙায় হাজিরা খাতার ছেঁড়া কাগজ দেখে অন্তুকে বলতে শুরু করল, হাজিরা খাতার কথা মনে আছে? যে খাতায় ক্লাসের সবার নাম, রােল নম্বর, কে কবে ক্লাসে আসছে। লেখা থাকে।

প্রেজেন্ট স্যার কোনাে টিচারের হাজিরা খাতা খুলে দেখলে দেখবি, হাজিরা খাতায় সিরিয়ালমতাে নাম, হাজিরা খাতায় লেখা আছে। 

এখন হাজিরা খাতার কোনাে একটা লাইনের দিকে ভালাে করে তাকালে দেখবি, প্রত্যেক লাইনের প্রথমে রােল নম্বর তারপর নাম লেখা আছে। যেই লাইন দেখতেছিলি তার নিচের লাইনে তাকালেও দেখবি একই সিস্টেম। সেই লাইনেরও প্রথমে রােল নম্বর। তারপর নাম লেখা। এখন ওপরে ও নিচের অন্য সব লাইনের দিকে তাকিয়ে দেখ। দেখবি প্রত্যেক লাইনে একই সিস্টেমে রােল নম্বর আর নাম লেখা আছে।প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download .

এই যে হাজিরা খাতায় বিভিন্ন স্টুডেন্টের নাম, রােল নম্বর লেখা আছে। এইটাকে একটু সহজ করে বললে বলা যায়, হাজিরা খাতায় বিভিন্ন স্টুডেন্টের নাম, রােল নম্বরের তথ্য লেখা আছে। এই তথ্য একটা বাংলা শব্দ। তথ্য শব্দটাকে ইংরেজিতে বলে ডাটা (data)। তাই বলতে পারস, হাজিরা খাতায় স্টুডেন্টের ডাটা রাখা আছে।

হাজিরা খাতায় ডাটা রাখার একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেমটা কঠিন কিছু না। জাস্ট রুল করা কাগজের একেক লাইনে একেক জনের নাম, রােল নম্বর লিখে রাখছে। তবে নাম, রােল নম্বর লেখার আগেই হাজিরা খাতায় রুল করে লাইন টানা থাকে। প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download link!

আর আগে থেকেই লাইন টানা থাকার মানে হচ্ছে, আগে থেকেই একটা কাঠামাে বা স্ট্রাকচার তৈরি করে রাখছে। যাতে সেই কাঠামাে বা স্ট্রাকচারের মধ্যে ফটাফট নাম, রােল নম্বর লিখে ফেলতে পারে।

এই যে কাঠামাে বা স্ট্রাকচার বানিয়ে একাধিক স্টুডেন্টের নাম, রােল নম্বরের ডাটা রাখা আছে, এটাকেই বলে ডাটা রাখার স্ট্রাকচার বা ডাটা স্ট্রাকচার (data structure)। অর্থাৎ একাধিক স্টুডেন্টের ডাটা রাখার সিস্টেমটাই একটা ডাটা স্ট্রাকচার। আরও সহজ করে বলতে গেলে বলা যায়, হাজিরা খাতাটাই একটা ডাটা স্ট্রাকচার।প্রোগ্রামিং এর বলদ টু বস pdf download link! 

এক নামে তালি বাজে না।

ধর তুই একটা ভেরিয়েবল লিখলি। সেই ভেরিয়েবলের মধ্যে ফুটানি মেরে তুই তাের নাম লিখে দিলি। আর এই ভেরিয়েবলের নাম দিলি name। তারপর সমান চিহ্ন দিয়ে মান সেট করে দিলি। যেহেতু নাম লেখার সময় এক বা একাধিক বর্ণ দিয়ে লিখতে হয়, সেহেতু নাম লেখা শুরুর আগে একটা ডবল কোটেশন (“) দিলি। নাম লেখা শেষ হয়ে গেলে আরেকটা ডবল কোটেশন দিলি। 

তারপর নাম শেষ হলে একটা সেমিকোলন (;) দিয়ে দিলি। var name = “Hablu”; ওপরের ভেরিয়েবলে শুধু তাের নাম আছে। অর্থাৎ একটা মাত্র জিনিস আছে। চাইলেও একটা নামের জায়গায় একাধিক মানুষের নাম লিখতে পারবি না। 

তাই ভেরিয়েলকে ডাটা স্ট্রাকচার বলা যাবে না। কারণ ডাটা স্ট্রাকচার হতে হলে এক বা একাধিক জিনিস রাখার সিস্টেম থাকতে হবে। যেমন : হাজিরা খাতায় একটা স্ট্রাকচারে একাধিক পােলাপানের নাম, রােল নম্বর ছিল। তাই সেটাকে ডাটা। স্ট্রাকচার বলা গেছে।

বন্ধু ছাড়া জীবন চলে না কিছুদিন আগে তাের ক্লাসের বন্ধুদের নাম দিয়ে একটা array লিখছিলি। সেই array-এর নাম দিছিলি friends। সেই array-টা ছিল নিচের মতাে— var friends = [“olil”, “kholil”, “molil”, “jolil”); এই যে ফ্রেন্ডদের নাম দিয়ে একটা array লিখছস।

এইখানে কিন্তু একটা তথ্য নাই। বরং অনেকগুলা তথ্য আছে। অনেকগুলা পােলাপানের নাম আছে। আবার এই তথ্যগুলা লেখার সময় একটা গঠন বা সিস্টেম অনুসরণ করছস। প্রথমজনের নাম লিখে একটা কমা দিছস। তারপর দ্বিতীয়জনের নাম লিখেও একটা কমা দিছস। তার মানে নামগুলা কমা দিয়ে দিয়ে আলাদা করে একটা কাঠামাে বা স্ট্রাকচার তৈরি করছস।

যেহেতু array-এর মধ্যে চাইলে একাধিক তথ্য রাখা যায় এবং একটা গঠন বা স্ট্রাকচার মেনে চলে তাই array-কে একটা ডাটা স্ট্রাকচার বলতে পারবি।

ক্রিকেট খেলা দেখার সময় কোনাে টিমের ব্যাটিং স্কোরকার্ড খেয়াল করে দেখছস? সেখানে বামপাশে প্লেয়ারের নাম লেখা থাকে আর ডানপাশে সে কত রান করছে,

কত বল খেলছে, কয়টা চার আর কয়টা ছয় মারছে লেখা থাকে। তার মানে স্কোরকার্ডের একেক লাইনে একেক জন খেলােয়াড়ের নাম এবং ওই ম্যাচে তার রানের তথ্য থাকে। যেহেতু একাধিক জনের তথ্য একটা কাঠামাে অনুসারে রাখা হয়, সেহেতু ক্রিকেট খেলার স্কোরকার্ডকে একটা ডাটা স্ট্রাকচার বলতে পারবি। ক

ডাটা স্ট্রাকচার খায়, পিন্দে না মাথায় দেয়?

আজকের পর কেউ যদি জিজ্ঞেস করে ডাটা স্ট্রাকচার কী জিনিস? এইটা কি খায়, পিন্দে না মাথায় দেয়? তখন মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলে দিবি, যেখানে একই সিস্টেম ফলাে করে একাধিক ডাটা রাখা যায়, সেটাই ডাটা স্ট্রাকচার। আর এত কিছু কঠিন মনে হলে বলে দিবি, হাজিরা খাতাটাই একটা ডাটা স্ট্রাকচার।

নিজে নিজে কর

১১; এমন একটা উদাহরণ দে যেখানে একাধিক জিনিসের নাম বা একাধিক জিনিস সম্পর্কে তথ্য আছে। হাজিরা খাতা বাদে অন্য আরেকটা উদাহরণ চিন্তা করে বের কর। উত্তর :

১.২ : তাের বাসার মধ্যে এমন অনেক কিছু আছে। যেখানে চাইলে একাধিক জিনিস রাখা যায়। তুই চিন্তা করে সে রকম একটা জিনিসের নাম বল। উত্তর :

১.৩ : তাের মােবাইলের মধ্যে এমন একটা কিছুর নাম বল, যেখানে একাধিক জিনিস আছে বা রাখা যায়। উত্তর :

…ওপরের বলদ মার্কা প্রশ্ন দেখে তাের মাথা গরম হয়ে কান দিয়ে ধোঁয়া বের হওয়া শুরু হলে দৌড়াতে দৌড়াতে www.habluderadda.com/bolod/datastructure.html-এ চলে যা।

সেখানে যেকোনাে প্রশ্ন করতে পারবি, অন্যদের উত্তর দেখতে পারবি। এমনকি ফায়ার সার্ভিসের হেল্প নিয়ে বুড়িগঙ্গার ফিল্টারড পানি তাের কানের ভিতরে ঢুকিয়ে মাথা ঠান্ডা করতে পারবি। to be continued……..

বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করুন। 

বিঃদ্রঃ কপিরাইট ইস্যুর কারনে পিডিএফ লিংক  দেওয়া হবে না।                   

বইটির  হার্ড কফি ক্রয় করুন:-            

Rokomari.com | Adarsha.com.bd

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...