bangla pdf booksBest pdf booksTips and tricks

গবেষনায় হাতেখড়ি pdf download by Ragib hasan

নাম:- গবেষনায় হাতেখড়ি pdf download

লেখক:- রাগিব হাসান। 

পৃষ্ঠা:- ৭১।

গবেষনায় হাতেখড়ি pdf প্রকাশনী :- আদর্শ

সাইজ:- ১৮ এম্বি।    

গবেষণার প্রাথমিক ধারণা

গবেষনায় হাতেখড়ি pdf /গবেষণা কী কেন কীভাবে?

গবেষণা বা research, ছােট্ট একটি শব্দ। কিন্তু মানবসভ্যতার ইতিহাসে গবেষণার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাচীন কালের সেই গুহাবাসী মানুষ হতে আজকের এই একবিংশ শতকের প্রযুক্তিনির্ভর জগতে উত্তরণ ঘটানাে সম্ভব হয়েছে একটি কারণেই তা হলাে বহু মানুষের গবেষণা। 

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে জেনে বা না জেনেই কিন্তু আমরা অনেকে গবেষণা করে চলেছি। হতে পারে গবেষণাটা যুগান্তকারী কিছু একটা নতুন জিনিস আবিষ্কারের অথবা হতে পারে আলু-পটোলের দামের সঙ্গে হজমি গােলার চাহিদা বাড়া-কমার সম্পর্ক বের করার । 

অজানাকে জানা, অচেনাকে চেনা— এটাই তাে গবেষণা। গবেষণা নিয়ে আলােচনার সতেই গবেষণা কাকে বলে, তা জেনে নেওয়া যাক। Organization for Economoic Co-operation and Development (OECD)-এর স্বীকৃত সংজ্ঞানুসারে গবেষণা বা রিসার্চ হলাে—

‘Creative work undertaken on a systematic basis in order to increase the stock of knowledge, including knowledge of man, culture and society, and the use of this stock of knowledge to devise new applications

ওপরের সংজ্ঞাটা খেয়াল করলেই গবেষণা কাকে বলে, তার মােদ্দা কথাটা বেরিয়ে আসবে। গবেষণা হলাে নতুন কিছু করা, যা আগে করা হয়নি বা করা হলেও ভালাে করে হয়নি।

সেটা করতে হবে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে এবং এ থেকে বেরিয়ে আসবে নতুন জ্ঞান, নতুন তথ্য । গবেষণা করতে গেলে কি বিজ্ঞানী হতে হবে? না, মােটেও না; বরং গবেষণার সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চললে আম-জনতার যে কেউই হতে পারেন গবেষক, করতে পারেন গবেষণা।

গবেষনায় হাতেখড়ি pdf download/  গবেষণার রকমফের:- 

গবেষণা নানা রকমের হতে পারে। যেমন— বিশ্লেষণধর্মী গবেষণা, যেখানে বর্তমানে আছে এমন কোনাে কিছুর কোনাে বৈশিষ্ট্য, যা নিয়ে কিছু জানা বা যাচাই করা হয়। 

আবার হতে পারে অনুসন্ধানী গবেষণা, যেখানে অজানা কোনাে কিছুর সম্পর্কে ধারণা পেতে গবেষণা করা হয়েছে। কখনাে কখনাে গবেষণার উদ্দেশ্য হলাে কারণ বের করা, কেন কোনাে একটি ঘটনা ঘটছে। কোনাে কোনাে সময় গবেষণা করা হয় কোনাে ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে সেই ঘটনা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে। 

গবেষণার কার্যক্ষেত্রের ভিত্তিতে তা হতে পারে মৌলিক গবেষণা অথবা ফলিত গবেষণা। তবে সব ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রেই একটা কথা প্রযােজ্য, তা হলাে গবেষণা কোনাে কিছুকে খুব সিস্টেম্যাটিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ যার মাধ্যমে নতুন জ্ঞানের উদ্ভব ঘটানাে। 

গবেষনায় হাতেখড়ি pdf  গবেষণা কেন করবেন?

দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের জবাৰ দিতে গবেষণা করা লাগে বটে, তবে সেসব অনানুষ্ঠানিক বা ইনফরমাল গবেষণার চেয়ে পড়াশােনা বা বিজ্ঞানের প্রয়ােজনে গবেষণা/ গবেষণায় হাতেখড়ি pdf  করা হয় বেশি। কেন গবেষণা করবেন, সেই প্রশ্নের

জবাবে আসুন, দেখে নিই একটা তালিকা

১) পড়াশােনার অংশ :

পিএইচডি, মাস্টার্স, এমনকি স্নাতক পর্যায়ের থিসিস লেখার জন্য গবেষণা করতে হবেই।

২) উচ্চশিক্ষা :

আবেদন করার সময়ে গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকলে খুব কাজে আসে।

৩) পেশাগত কাজের জন্য :

শিক্ষক, বিজ্ঞানী, এঁদের তাে বটেই আরও অনেক পেশায় গবেষণা করার দরকার আছে। ধরা যাক, কোনাে একটি কারখানার বর্তমানে যেসব বাতি তৈরি হয়, তা এক মাস চলার পরেই নষ্ট হয়ে যায়। একজন গবেষক বাতি ও কারখানার যন্ত্রাংশ নিয়ে গবেষণা করে নতুন ধরনের দীর্ঘমেয়াদি বাতি বানানাের পদ্ধতি বের করতে পারেন।

৪) জনস্বার্থ ;

সামাজিক অনেক সমস্যার কারণ বের করার জন্য জনস্বার্থেও গবেষণার প্রয়ােজন আছে। যেমন ধরা যাক বাংলাদেশে আর্সেনিক রােগের প্রাদুর্ভাবের আসল কারণটা কী? অথবা ডায়রিয়ার সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা কী? 

এসব প্রশ্নের জবাব বের করতে হলে বিজ্ঞানীদের করতে হবে গবেষণা। গবেষণা করতে শেখা  গবেষনায় হাতেখড়ি pdf  গবেষণা কি শেখার জিনিস? অবশ্যই। কারণ গবেষণা করাটা খুব পদ্ধতিগত ব্যাপার। এখানে নির্দিষ্ট ধাপ আছে, যেগুলাে এড়ানাের কোনাে উপায় নাই। তাই আপনি পড়া, পেশা কিংবা জনস্বার্থ যে কারণেই গবেষণা করুন না কেন, আপনাকে গবেষণা করাটা শিখতে হবে ভালাে করে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার গবেষণার গুরু শ্রদ্ধেয় ড, কায়কোবাদ স্যার গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে আমাদের সব সময় বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার কালজয়ী সব গবেষকের কথা শােনাতেন। 

জগদীশ চন্দ্র বসু, সত্যেন বােস, প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, সিভি রমন, কুদরত-ই-খুদা— এঁরা এক সময় বিশ্বসেরা গবেষণা করেছেন, নােবেল জয় করার মতাে উচ্চমানের গবেষণা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে জনসংখ্যার বিচারে আমাদের দেশে নতুন গবেষণার হার সেরকম আশাব্যঞ্জক নয়।

অথচ গবেষনায় হাতেখড়ি pdf গবেষণা শেখাটা জটিল কোনাে কাজ না; বরং বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে গবেষণার অনেক ধাপ হয়ে গেছে সহজ তাই খুব সহজ এই গবেষণার ধাপগুলােকে শিখে নিতে পারলে সহজেই আপনি গবেষণার রাজ্যে রাখতে পারবেন পা, খুলে দিতে পারবেন জ্ঞানের রাজ্যের নতুন জানালা, উম্মােচন করতে পারবেন নতুন কোনাে রহস্যের দ্বার। আর একই সঙ্গে আপনার পড়াশােনা কিংবা পেশাতেও এগিয়ে যেতে পারবেন।

তাই আসুন, গবেষণা করতে শিখি, একেবারে গােড়া থেকেই। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গবেষণা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে কি দেশে বসে গবেষণা করা সম্ভব? এ ব্যাপারে অনেকের অভিযােগ গবেষণা করতে গেলে অনেক রিসাের্স লাগে, সেটা দেশে বসে পাওয়াটা কঠিন।

চিন্তার কিছু নাই, অবশ্যই সম্ভব। কীভাবে? চলুন, দেখা প্রথম অভিযােগ হলাে বাংলাদেশে বসে বিশ্বের কোথায় কী রিসার্চ হচ্ছে, তা জানাটা বেশ কঠিন। নতুন কিছু করতে হলে নতে হবে (না হলে নতুন করে জুতা আবিষ্কারে পণ্ডশ্রম হতে পারে)। 

তাই গবেষনায় হাতেখড়ি pdf গবেষণার জন্য রিসার্চ পেপার জোগাড় করতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গুগল স্কুলারে (www.scholar.google.com) সার্চ দিলে রিসার্চ পেপারের কপি পিডিএফ পাওয়া যায়। বাংলাদেশের অনেক সরকারি ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরিতে রিসার্চ পাবলিকেশনের সাবস্ক্রিপশন আছে। সেখান থেকে ডাউনলােড করে নেওয়া চলে (বুয়েটে আছে জানি, অন্যত্রও থাকার কথা)। আর কিছু না।

পেলেও অনলাইনে নানা রিসার্চ-সংক্রান্ত গ্রুপে অনুরােধ করে প্রবাসী কারও মাধ্যমে পেতে পারেন। আর শেষ চেষ্টা? রিসার্চ পেপারে লেখকের ইমেইল দেওয়া থাকে, সেখান থেকে তাকেই ইমেইল করে কপি চাইতে পারেন। অধিকাংশ লেখকই চাইলেই কপি পাঠান।

কমিস্তিরি হিসেবে আমার জ্ঞানের সীমা যন্ত্রগণক-টাইপের বিষয় পর্যন্তই, তবে ইদানীং অধিকাংশ বিষয়ে কম্পিউটেশনাল অনেক কাজ করার সুযােগ আছে। আপনি যদি সেরকম কোনাে বিষয়ে কাজ করেন, তাহলে মােটামুটি মানের কম্পিউটার যা পাওয়া যায়, তা দিয়েই কাজ চলবে। 

দরকার হলে কয়েকটি কম্পিউটার এক করে ক্লাস্টার বানিয়ে কাজ করা চলে। তবে আরও ভালাে হলাে নানা কোম্পানির ফ্রি কম্পিউটার টাইমের সুযােগ নেওয়া। যেমন— এমাজনের ক্লাউডে ছাত্রদের জন্য প্রতি মাসে ফ্রি ১০০ |

ডলার ইউজ করার ব্যবস্থা আছে। (তবে সমস্যা একটাই, ক্রেডিট কার্ড নম্বর দেওয়া লাগে, তবে বাংলাদেশে অনেকে এই নম্বর ব্যবহারের সুযােগ দিতে পারে, খোজ নিন)। এটা বেশ ভালাে একটা সুযােগ (এবং মাসে ১০০ ডলারের ক্লাউড টাইম খরচ করা রীতিমতাে জটিল কাজ)।

রিসার্চের গোড়ার কথাটা তাে বলেই ফেললাম, ইন্টারেস্টিং বিষয় পাওয়াটা হলাে আরও জটিল কাজ। দুনিয়ায় অনেক কিছুই আছে, সেটার মধ্যে কোনটাতে আপনার আগ্রহ আছে এবং অন্যদেরও আগ্রহ থাকবে, সেটা বের করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য সাজেশন যেটা দিতে চাই তা হলাে, মােবাইল ডিভাইস নিয়ে কাজ করেন। আপনি যে বিষয়েই পড়াশােনা করেন না কেন, মােবাইল ডিভাইসের সঙ্গে তার একটা যােগসূত্র বেরােবেই। স্মার্টফোন আজকাল বাংলাদেশে এত সস্তা যে, প্রায় অনেকেরই নাগালের মধ্যে। আর স্মার্টফোনের সেন্সর বা লােকেশন ক্যাপাবিলিটি ব্যবহার করে ইন্টারেস্টিং সব কাজ করা সম্ভব।

যেমন— স্মার্টফোনভিত্তিক ট্রাফিক জ্যামপ্রেডিক্টর কিংবা স্মার্টফোনভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা অথবা স্মার্টফোন ব্যবহার করে আপনার টপিক রিলেটেড কিছু।

এতে করে সুবিধাটা হলাে, আপনার কাজে রিসাের্স সহজেই পাবেন। আর বাংলাদেশে প্র্যাকটিকাল ফিল্ডে কাজে লাগেএমন কিছু একটা বের হবে (এ রিনের কাজে বিদেশি ফান্ডিংও অনেক)।সব শেষে ফান্ডিং নিয়ে ছােট্ট একটা কথা বলি। রিসার্চের ফান্ড দেশে বসেই কিন্তু পেতে পারেন। 

দুনিয়ার নানা সংস্থা বা কোম্পানি ফান্ড নিয়ে বসে আছে। ইন্টারেস্টিং প্রজেক্টে সহজেই পেতে পারেন। গুগলের রাইজ ছাড়াও ফ্যাকাল্টি এওয়ার্ড, সায়েন্স ফেয়ার আছে, অন্য অনেক সংস্থার এরকম গ্রান্ট আছে। খোঁজ নিয়ে দেখুন, একটু সময় দিলেই সেটা পাবেন। আপনার রিসার্চ আইডিয়াটাকে ভালাে করে প্রেজেন্ট করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। আর এই বইটাতে আমরা সেই জিনিসটাই শিখব। কীভাবে আদি থেকে সমাপ্তি পর্যন্ত সহজে আমরা করতে পারি গবেষণা।

তাই আর দেরী না করে গবেষনায় হাতেখড়ি pdf বইটা ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করুন। 

বিঃদ্রঃ দয়া করে যাদের সামর্থ্য আছে তারা গবেষনায় হাতেখড়ি pdf বইটির হার্ড কফি ক্রয় করুন :- 

rokomari.com

Adarsha.com.bd                   

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...