bangla pdf booksZafar iqbal book

একটুখানি বিজ্ঞান pdf download Zafor iqbal books

নাম:- একটুখানি বিজ্ঞান pdf download 

একটুখানি বিজ্ঞান pdf download লেখক:- মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। 

পৃষ্ঠা:- ১৭৫। 

একটুখানি বিজ্ঞান pdf download সাইজ:- ১০এম্বি।     

জাফর ইকবাল এর একটুখানি বিজ্ঞান pdf download  বইয়ের প্রথম অংশ:- 

বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির জন্যে ব্যবহার।

বিজ্ঞান বনাম প্রযুক্তি মা এবং সন্তানের মাঝে তুলনা করতে গিয়ে একটা খুব সুন্দর কথা বলা হয়, কথাটা হচ্ছে “কুপুত্র যদিবা হয়, কুমাতা কখনাে নয়।” সন্তানের জন্যে মায়ের ভালােবাসা দিয়েই একটা জীবন শুরু হয় তাই মায়ের উপর এত বড় একটা বিশ্বাস থাকবে বিচিত্র কী? কুপুত্র এবং কুমাতা নিয়ে এই কথাটা একটু পরিবর্তন করে আমরা, পারি, কথাটি হবে এরকম, “কু-প্রযুক্তি বা হয়, কু-বিজ্ঞান কখনাে নয়।

যার অর্থ বিজ্ঞানটা হচ্ছে জ্ঞান আর প্রযুক্তিটা হচ্ছে তার ব্যবহার, জ্ঞানটা কখনােই খারাপ হতে পারে , কিন্তু প্রযুক্তিটা খুব সহজেই ভয়ংকর হতে পারে। আইনস্টাইন যখন তার আপেক্ষিক তত্ত্ব নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে করতে লিখলেন E=mc তখন তার বুক একবারও আতঙ্কে কেঁপে উঠে নি। একটুখানি বিজ্ঞান pdf download link !!! 

কিন্তু দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষের দিকে যখন হিরােশিমা আর নাগাসাকি শহরে নিউক্লিয়ার বােমা এক মুহুর্তে কয়েক লক্ষ মানুষকে মেরে ফেলল তখন সারা পৃথিবীর মানুষের বুক আতঙ্কে কেঁপে উঠেছিল। এখানে E = mc2 হচ্ছে বিজ্ঞান আর নিউক্লিয়ার শহরে একটা নিউক্লিয়ার বােমা এক মুহূর্তে কয়েক লক্ষ লােককে মেরে ফেলেছিল।

বােমাটা হচ্ছে প্রযুক্তি – দুটোর মাঝে যােজন যােজন দূরত্ব। প্রযুক্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রথমেই একটা কুৎসিত উদাহরণ দিয়ে সবার মন বিষিয়ে দেয়ার আমার কোন ইচ্ছা নেই। কিন্তু মানুষ ক্রমাগত বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিকে গুলিয়ে ফেলে GOথলে নিয়ে এসেছি। আজকাল।একটুখানি বিজ্ঞান pdf download  !

কাজেই দুটো বিষয়কে একটু জোর করে হলেও আলাদা করে রাখা ভালাে। বিজ্ঞানের একটা গ্রহণযােগ্যতা আছে, আজকালকার ধর্মের বইগুলাে দেখলেই সেটা বােঝা যায়। ধর্মীয় কোনাে একটা মতকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযােগ্য করার জন্যে ফুটনােটে লেখা হয় ইহা বিজ্ঞান মতে প্রমাণিত।” বিজ্ঞানের এই ঢালাও গ্রহণযােগ্যতাকে ব্যবহার করে প্রযুক্তি যদি ছদ্মবেশে আমাদের জীবনের মাঝে জোর করে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে তার থেকে আমাদের একটু সতর্ক থাকা উচিৎ। একটুখানি বিজ্ঞান pdf download !! 

এটি কেউ অস্বীকার করবে না, প্রযুক্তির কারণে আমাদের জীবন অনেক সহজ হয়ে গেছে। যােগাযােগ ব্যবস্থার কথা ধরা যাক, প্লেন গাড়ি জাহাজ করে আমরা চোখের পলকে এক দেশ থেকে আরেক দেশে চলে যাই। একসময় প্রকৃতির সাথে আমাদের যুদ্ধ করতে হতাে আজকাল আমরা তার অনেকটাই আমাদের

2.2 নং ছবি : পৃথিবীর হাজার হাজার গাড়ি প্রতি মুহূর্তে অক্সিজেন  ব্যবহার করে তৈরি করছে কার্বন ডাই অক্সাইড।

আমদের দেশেই উচ্চবিত্ত মানুষেরা গরমের দিনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে শীতল হিমেল বাতাসে শরীরকে জুড়িয়ে তৈ পারেন। এ-রকম উদাহরণের কোনাে শেষ নেই, জীবনকে সহজ করার জন্যে চকর সব প্রযুক্তি, এর বিরুদ্ধে কারাে কী কিছু বলার আছে? একটু খুটিয়ে দেখলে কেমন?

প্লেন-গাড়ি-জাহাজ (কিংবা কলকারখানায়) আমরা জ্বালানী তেল বা গ্যাস ব্যবহার করি, সেটাকে পুড়িয়ে তার থেকে শক্তি বের করে এনে সেই শক্তিটাকে ব্যবহার করি। এই শক্তিটাকে ব্যবহার করার জন্যে আমাদের একটা মূল্য দিতে হয়। সেই মূল্যটার নাম হচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইড। 

যখনই বাতাসে আমরা কিছু পােড়াই তখনই আমরা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস তৈরি করি।

এটি কোনাে বিচিত্র গ্যাস নয়, আমরা নিশ্বাসের সময় ফুসফুসে অক্সিজেন টেনে নিয়ে প্রশ্বাসের সময় কার্বন ডাই অক্সাইড বের করে দিই। পৃথিবীর সব জীবিত প্রাণী নিশ্বাসে নিশ্বাসে অক্সিজেন টেনে নিয়ে, কিংবা কলকারখানা গাড়ি প্লেনের ইঞ্জিনে জ্বালানী তেল পুড়িয়ে একসময় পৃথিবীর সব অক্সিজেন শেষ করে ফেলবে তার আশঙ্কা নেই।

তার কারণ পৃথিবীর জীবিত প্রাণীর জন্যে প্রকৃতি খুব সুন্দর একটা ব্যবস্থা করে রেখেছে, আমরা নিশ্বাসে যে অক্সিজেন খরচ করে কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে ফেলি, সুবজ গাছপালা সেই কার্বন ডাই অক্সাইডকে সালােকসংশ্লেষণের ভেতর দিয়ে তাদের খাবার তৈরি করার জন্যে ব্যবহার করে। তাদের খাবার আসলে আমাদেরও খাবার, শুধু যে খাবার তাই নয় সালােক-সংশ্লেষণের সেই প্রকিয়ার ভেতর দিয়ে সবুজ গাছপালা পৃথিবীতে বেশি বেশি জ্বালানী থেsaRৱকরে বাড়িয়ে দিচ্ছে। একটুখানি বিজ্ঞান pdf download link!

কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে সেই অক্সিজেনটা আবার আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার প্রয়ােজনীয় অক্সিজনের জন্যে আমরা সবুজ গাছপালার কাছে অসম্ভব রকম ঋণী। সবুজ পৃথিবী শুধু যে দেখতে সুন্দর তা নয় (আমাদের চোখের রেটিনা সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল এই সবুজ রংয়ে) আমাদের নিশ্বাসের নিশ্চয়তা আসে এই সবুজ গাছপালা থেকে।

2.3 নং ছবি : কার্বন ডাই অক্সাইডের কারণে পুরাে এখন একটা বিশাল গ্রিন হাউজ, তাপ রশ্মি বায়ুমণ্ডলে সনের কারণে অক্সিজেন কমে যাবে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে যাবে সেটি অবশ্যি খনাে দুশ্চিন্তার বিষয় নয়, দুশ্চিন্তার কারণ আসলে অন্য একটি বিষয়, যারা পৃথিবীর খোঁজখবর রাখেন তারা নিশ্চয়ই সেই বিষয়টির কথা জানেন, বিষয়টি হচ্ছে গ্রীন হাউস এফেক্ট। গ্রীন হাউস জিনিসটির আমাদের দেশে সেরকম প্রচলন নেই। 

আমাদের দেশে তাপমাত্রা কখনােই খুব একটা বেশি কমে যায় না তাই শীতে গাছপালা বাঁচিয়ে রাখার জন্যে (বা সবুজ রাখার জন্য) গ্রীন হাউস তৈরি করতে হয় না।

শীতের দেশে গ্রীন হাউসের প্রচলন আছে, সেখানে বাইরে কনকনে ঠাণ্ডা থাকলেও গ্রীন হাউসের ভেতরে গাছপালাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে থাকে এটা একটা আরামদায়ক উষ্ণতা। গ্রীন হাউস ব্যাপারটি আসলে খুব সহজ একটা কাচের ঘর। সূর্যের আলাে কাচের ভেতর দিয়ে গ্রীন হাউসে ঢুকে কিন্তু বের হতে পারে না, তাপটাকে ভেতরে ধরে রাখে। একটুখানি বিজ্ঞান pdf download ! 

প্রশ্ন উঠতে পারে কাচের ভেতর দিয়ে যেটা ঢুকে যেতে পারে সেটা তাে বেরও হয়ে যেতে পারেতাহলে ভেতরে আটকে থাকে কেন? তার কারণ আলাে হিসেবে যেটা কাচের ভেতর দিয়ে গ্রীন হাউসে ঢুকে যায় সেটা ভেতরকার মাটি দেয়াল বা গাছে শােষিত হয়ে যায়। তারপর সেগুলাে যখন বিকিরণ করে তখন সেটা বিকিরণ করে তাপ হিসেবে। আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ছােট, সেগুলাে কাচের ভেতর দিয়ে চলে যেতে পারে; তাপের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য লম্বা, সেগুলাে দেবে বাংলাদেশ, তার থেকে নাম হচ্ছে বাংলাদেশ তার কারণ সমুদ্র কিন্তু কাচের ভেতর দিয়ে এত সহজে যেতে পারে না। তাই আলাে হিসেবে শক্তিটুকু গ্রীন হাউসের ভেতরে ঢুকে তাপ হিসেবে আটকা পড়ে যায়।

মানুষ অনেকদিন থেকেই তাদের ঘরে বাড়িতে নার্সারীতে এ-রকম ছােট ছােট গ্রীন হাউস তৈরি করে এসেছে, কিন্তু গত এক শতাব্দীতে তারা নিজের অজান্তেই বিশাল একটা গ্রীন হাউস তৈরি করে বসে আছে। এই গ্রীন হাউসটি হচ্ছে আমাদের পৃথিবী এবং সেখানে কাচের ঘর হচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস। কাচ যেভাবে গ্রীন হাউসের ভেতরে সূর্যের আলােটাকে তাপে পরিণত করে সেটাকে আটকে রাখে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসও হুবহু সেই একই উপায়ে পৃথিবীতে তাপ আটকে রাখে। তাই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যদি কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে পৃথিবীর তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। 

বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন মানুষের জ্বালানী ব্যবহার করার কারণে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ প্রায় 14 শতাংশ বেড়ে গেছে। তার কারণে এই শতাব্দীর শেষে পৃথিবীর তাপমাত্রা যেটুকু হওয়া দরকার তার থেকে দুই কিংবা তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হয়ে যাবার আশঙ্কা করছেন।

মনে হতে পারে এটি আর এমন কী! কিন্তু আসলে এই দুই তিন ডিগ্রিই পৃথিবীর অনেক কিছু ওলট-পালট করে দিতে পারে। পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে বিশাল পরিমাণ বরফ জমা হয়ে আছে, পৃথিবীর তাপমাত্রা অল্প একটু বাড়লেই সেই বরফের খানিকটা গলে গিয়ে নিচু অঞ্চলকে প্লাবিত করে দেবে। সবার আগে পানির নিচে তলিয়ে যাবে যেই দেশটি তার দেশটির গড় উচ্চতা মাত্র বিশ ফুট।একটুখানি বিজ্ঞান pdf download 

তাই আর দেরী না করে একটুখানি বিজ্ঞান pdf download  বইটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটন এ ক্লিক করুন।     

আপনি যযদি একজন বই পড়ুয়ার পাশাপাশি একজন রিভিউ রাইটার ও হন তাহলে আপনার রিভিউ টা আমার কাছে পাঠিয়ে দিন আমি রিভিউ টা কন্টেন্ট এ যুক্ত করবো এবং আপনাকে ক্রেডিট ও দেওয়া হবে।

রিভিউ দিতে (ক্লিক_করুন)

Tags

ADR Dider

Best bangla pdf download, technologies tips,life style and bool, movie,smartphone reviews site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Close

Ad blocker detected

Plz turn off your ad blocker to continue in this website...